আধুনিক রামনগর ইউপি গড়তে চান ইদ্রিস আলম

নাসির উদ্দিন নয়ন, কুয়াদা(যশোর)প্রতিনিধি:
যশোর শহর ঘেষে যশোর সদরের ১১নং রামনগর ইউপিতে নির্বাচন আসন্ন। প্রবেশনাল এ্যাডভোকেট ইদ্রিস আলম চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জন সংযোগ করছেন। ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পূর্বপান্তাপাড়ার সন্তান ইদ্রিস আলম আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক চাইছেন। তা না পেলে স্বতন্ত্র নির্বাচনে আগ্রহ তার। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের ধারক এই তরুণ সমগ্র ইউনিয়ন কে ঢেলে সাজাবেন। তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, ডিজিটাল আধুনিক নানা সুবিধার একটি এলাকা গড়বেন রামনগর কে।

একদিকে মানুষের ব্যস্ততা। আরেক দিকে শীতের আগমন। মানুষ জন ঘরের বাইরে আর থাকতে চাইছেননা। কিন্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন- ২০২১ চলছে। উৎসুক মানুষ চেয়ারম্যান মেম্বর প্রার্থীদের নিয়ে সরগরম। বিভিন্ন চায়ের দোকানে, মোড়ে মোড়ে, হাটে বাজারে আড্ডা মেরে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত মানুষ। তাদের আলোচনায় কয়েকটি নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন প্রবেশনাল এ্যাডভোকেট ইদ্রিস আলম। মাদক মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত চাঁদাবাজ মুক্ত একটি ইউনিয়ন গড়ার তার প্রত্যয়কে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভোটাররা। তাছাড়া দেশনেত্রী বাংলার রতœ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ভক্ত এই ইদ্রিস আলম সারা দেশের ন্যয় রামনগরকে উন্নয়নে সাজাতে স্বপ্ন দেখছেন। ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেই তা কেবল সম্ভব। আর তাই ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি উন্নয়নের রোল মডেল গড়তে চান ১১ নং রামনগর ইউনিয়ন পরিষদকে।
পেশায় প্রবেশনাল এ্যাডভোকেট ও সাংবাদিক ইদ্রিস আলম। তিনি জানান, কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে রামনগর ইউনিয়ন। মোট ভোটার সংখ্যা ৬৫০০০ প্লাস। ১৭ টি গ্রামের পরিষদ ১১নং রামনগর ইউনিয়ন পরিষদ। শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ও খেলাধুলা নিয়ে তার আপন গতিতে চলমান। আয়তন- ২০.৮২বর্গ কি:মি:, লোকসংখ্যা- ৩৫,৫২৬ জন, গ্রামের সংখ্যা ১২টি, মৌজার সংখ্যা ১৪টি, উপজেলা থেকে যোগাযোগের ব্যবস্থা- সিএনজি, ইজি বাইকের মাধ্যমে শিক্ষার হার: ৫০% (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুসারে)। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬টি। বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১টি। উচ্চ বিদ্যালয় ১টি। নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২টি। জুনিয়র স্কুল ৩টি। জে,এস,সি ও এস,এস,সি পরীক্ষার কেন্দ্র ১টি। মাদ্রাসা ৫টি। গ্রামের নাম, শ্রীকান্ত নগর, বলাডাঙ্গা, মোবারক কাটি, মুড়লী, কাজীপুর, রামনগর, শাহাবটী, ভাটপাড়া, তোলা গোল্দারপাড়া, পান্তাপাড়া, বাহির মল্লিক, কামালপুর, খরিচা ডাঙ্গা, বাজুয়া ডাঙ্গা, ডহর সিংগা, সিরাজসিংগা।

হাট বাজারের সংখ্যা ১. রাজারহাট রাজার ২. সিরাজসিঙ্গা বাজার ৩.হাতের হাট বাজার ৪. সতীঘাটা বাজার ৫. কুয়াদা বাজার ৬. সতীঘাটা নতুন বাজার। বিল একটি যার নাম হরিনার বিল। ২১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পান।

৪৩৫ জন প্রবাসে রয়েছেন। ৩৯৯ জন ইউনিয়ন পরিষদের তালিকাভূক্ত হত দরিদ্র। ৫৫২ জন ভিজিএফ তালিকা ভূক্ত রয়েছেন। মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্ত মায়ের সংখ্যা ১৮ জন। ভিজিডি ভোগীর সংখ্যা ৫০ জন।