শার্শায় গৃহবধূর গলায় ফাঁস স্বজনদের দাবি হত্যা

যশোর অফিস: 

যশোরের শার্শায় ঝরনা খাতুন(৩০) নামের এক  গৃহবধূর গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যু হয়েছে তবে তার পরিবারের দাবি ঝর্নার স্বামী তাকে হত্যা করে আত্মহত্যার কথা বলছে। এ ব্যাপারে নিহতের ভাই কবিরুল ইসলাম সরদার বাদী হয়ে শার্শা থানায় অভিযোগ করেন।
১০ বছর আগে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার  খোরদো গ্রামের মৃত রবিউল সরদারের মেয়ে ঝর্না খাতুন কে  শার্শা উপজেলার  নাড়িপুকুর বটতলার মো: সিদ্দিক এর ছেলে  ফারুক এর সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাদের  সংসারে দুটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয় একজনের বয়স ৭ আরেক সন্তানের তিন বছর।
নিহত ঝরনার বাই কবিরুল সরদার জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে ঝরনা কে মারধর করতো তার স্বামী এছাড়া বিভিন্ন সময়ে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নগদ ৩লক্ষ  টাকা   আসবাবপত্র স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে এরপর পুনরায় টাকা দাবি করে বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালিয়েছে।

নিহতের স্বজনরা জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় ঝর্না খাতুন কে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয় পরদিন শুক্রবারে আমরা খবর পাই আমার ফুপুর ননদের মুঠোফোনে আমরা ঐ বাড়িতে যেয়ে দেখি বাড়ির আমার বোনের স্বামীর পরিবারের কেউ নাই পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় আমার বোনের লাশ যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসা হয়।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ওসি তদন্ত মোঃ তারিকুল ইসলাম জানান, নিহত ঝরনার বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে সুরতহাল রিপোর্ট আসলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। জানতে চাইলে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার তনময় বিশ্বাস বলেন, আমি  লাশের ভিসেরা সেন্ড করেছি লাশের স্বজনদের   অভিযোগ রয়েছে সেহেতু আমরা সেভাবেই বিষয়টা দেখছি তবে রিপোর্টের অপেক্ষা করতে হবে।