ঝিকরগাছায় ওজনে বিক্রি হচ্ছে লিচু তরমুজ কলা প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতাসাধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের ঝিকরগাছায় দেদারসে ওজনে বিক্রি হচ্ছে মধুমাসের রসালোফল লিচু ও তরমুজ। একই পন্থায় বিক্রি হচ্ছে কলা। ফলে প্রকারন্তরে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতাসাধারণ। এব্যাপারে ভোক্তাসাধারণ নজরদারী ও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সোমবার ঝিকরগাছা বাসস্ট্যান্ড ও ইউনিয়ন কাউন্সিল রোড এলাকায় সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, একশ্রেণির অসাধু ফলব্যবসায়ী অতিমুনাফার লোভে ক্রেতাসাধারণকে ঠকাতে সুস্বাদু ও লোভনীয় রসালোফল লিচু ও তরমুজ ওজনদরে বিক্রি করছেন। অথচ এসব বিক্রেতারা বিভিন্ন মোকাম থেকে পাইকারী দরে প্রতি’শ অথবা হাজার হিসাবে লিচু ও তরমুজ আমদানী করছেন। অথচ বিক্রি করছেন ওজনদরে। খোঁজনিয়ে জানাগেল, প্রতিকেজি লিচু গুণগতমান ও প্রকার ভেদে (পাতাবোঁটাসহ) ১৬০টাকা থেকে ১৮০টাকা, তরমুজ প্রতিকেজি ৩০/৩৫টাকা ও কলা প্রতিকেজি ৪০থেকে ৬০টাকা দরে ক্রেতার হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন। ভোক্তাসাধারণের অনেকের অভিযোগ, ওজনদরে এককেজি লিচু কিনলে আনুমানিক ২৫০থেকে ৩০০গ্রাম পাতাবোঁটা বাদ পড়ে।
এদিকে হাট-বাজারে দেশীয় আমের পাশাপাশি হিমসাগর ও গোপালভোগ আমের পর্যাপ্ত আমদানী লক্ষ্য করা গেছে। তবে আমদানিকৃত আমের গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আগামজাতের প্রতিকেজি হিমসাগর ও গোপালভোগ আম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০টাকা।
এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডাঃ কাজী নাজিব হাসান বলেন, বিষয়টি ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থি। এর আগে সকল শ্রেণির ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে এব্যাপারে সাম্প্রতিক জেলা প্রশাসনের তরফে কোন দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়নি। নির্দেশনা পেলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সাইমুজ্জামান’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জনসচেতনাতার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রসালোফল পচনশীল দ্রব্য। ক্রেতারা সর্তক হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেআইনী সুযোগ নিতে পারবেনা।