লকডাউনে দৈনন্দিন উপার্যন কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ।

রাসেল মাহমুদঃ বিশেষ প্রতিনিধিঃ মহামারি করোনার এক বছরে থমকে যাওয়া পৃথিবী কিছুটা গতি পেলেও ফের একই অবস্থার মধ্যে রয়েগেছে নিম্নআয়ের মানুষ গুলো।
দেশের এমন পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন উপার্যন কমে যাওয়ায় রিতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের চাহিদা মেটাতে।
অপরদিকে, ঋণ আর ধার-কর্জের বোঝা দুশ্চিন্তায় ফেলেছে নিম্নআয়ের এসব মানুষকে। অনেকে মনে করেন, সঙ্কট থেকে উত্তরণে খুব বেশি নজর দেয়া হয়নি পিছিয়ে পড়া এসমস্ত নিম্নআয়ের মানুষদের টেনে তুলার জন্য। দেখা যায় প্রচণ্ড খরতাপ আর লকডাউন উপেক্ষা করে রূপদিয়া বাজারে জুতার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা; রিপন দাসের ফেলফেলানি চাহনি কাস্টমারের খোঁজে। কয়েক জোড়া জুতা সেলাই বা পলিস করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে পাওয়া সামান্য অর্থে হয়তো নিশ্চিত হবে পরিবারের একদিনের প্রয়োজনীয় জীবিকার কিছু অংশ।
অথচ, তাকে (রিপন দাস) মহামারি করোনার দ্বিতীয় লক-ডাউনের পূর্বে এমন দুরবস্থায় পড়তে হয়নি বলে জানান। গত এক বছর ধরে তাই অপ্রাপ্তির খাতা যতোটা না ভারি হয়েছে তার চেয়ে বেড়েছে আক্ষেপ ও জীবন জীবিকার উত্তর না মেলা সব প্রশ্নে। কথা হয় যশোর সদরের রূপদিয়া বাজার বাসষ্টান্ডে মাহবুব মেডিকেল ফার্মেসীর সামনে ফুটপাতে বসে প্রায় ১২-১৩ বছর ধরে জুতা সাইর ও পলিসের কাজ করা চাউলিয়ার রণজিৎ দাসের ছেলে রিপন দাসের সাথে। তার সংসারে স্ত্রী, দুই সন্তান ও বৃদ্ধা মা রয়েছে। এই পাঁচজনের সংসার একাজের উপার্যন দিয়েই চলে। কিন্তু মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে দেশ লক-ডাউনের কবলে পড়ায় দূর্বিসহ জীবন পোহাতে হচ্ছে রিপন দাসের।আগে প্রতিদিন ৩’শ থেকে ৪’শ টাকা উপার্যন করতেন রিপন। আর এখন দিন ভর ২০-৩০ টাকাও আয় হয়না তার। বলছিলেন করোনার ভয় থাকলেও পরিবার পরিজনের খাবার জোগান নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন রিপন দাস। এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।