অপসাংবাদিকতার স্বীকার বেনাপোলের সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন

বেনাপোল প্রতিনিধি: বন্দর নগরী বেনাপোলে কর্মরত প্রভাত ফেরীর ফটো সাংবাদিক ও বন্দর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আহমেদ একটি স্বার্থনেস্বী মহল কর্তৃক অপসাংবাকিতার স্বীকার হয়েছেন বলে দাবী জানিয়েছেন। সাথে সাথে এ কাজে জড়িত বেনাপোলের কথিত সাংবাদিক অনলাইন পোর্টাল ভোরের কন্ঠের বেনাপোল প্রতিনিধি মুরাদের উদ্দেশ্য মূলক সংবাদ প্রকাশের উপযুক্ত শাস্তীর দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তিনি সাংবাদিদের জানান,গত মঙ্গলবার দুফুরে বেনাপোল-পুটখালী সড়কের সংস্কার কাজের জন্য রাখা ইট বালু ও মাটি চুরি করছে এমন সংবাদে বেনাপোল পৌরসভার ছোট আচড়া গ্রামে সংবাদ সংগ্রহ কাজে যাই। সে সময় আমার সাথে ছিলো অভিযুক্ত রেকসোনার প্রতিবেশী সাইফুল।ঘটনা স্থলে পৌছে আমি অভিযুক্তের বাড়িতে রক্ষিত ইট মাটির ভিডিও সহ তাদের স্বীকারোক্তি বক্তব্য ভিডিও ধারন করে চলে আসি।পরবর্তী সময়ে কথিত সাংবাদিক মুরাদ ও তার সহযোগীরা রেকসনার বাড়িতে গিয়ে নানা ভয়-ভিতী দেখিয়ে প্রত্রিকায় নিউজ ছাপাবে বলে টাকা দাবী করে। অভিযুক্ত নারী আমার বাড়ি এসে আমাকে জানাই আমার সাথে থাকা সাইফুলের কাছে সে টাকার লেনদেন করেছে এবং মুরাদরা তার কাছ হতে সাজানো ভিডিও বক্তব্য ধারন করে নিয়ে গেছে।আমি তাৎক্ষনিক সাইফুলের সাথে কথা বলি ও মহিলার কাছ হতে টাকা গ্রহন করার কারন জানতে চাই। এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মুরাদ ও তার সহযোগীরা মুঠোফোনে আমার বক্তব্য শুুনতে চাই। আমার বক্তব্য পুরোটা প্রকাশিত সংবাদে না লিখে কেবলমাত্র আমাকে সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করতে বিভ্রান্ত মূলক সংবাদ প্রকাশ করেছে এমন কি ঐ মহিলাকে জিম্মি করে আমাকে প্রশাসনিক ভাবে হয়রানী করানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে মুরাদ ও তার সহযোগীরা।বিষয়টি নিয়ে যশোর থেকে প্রকাশিত স্পদন পত্রিকার বেনাপোল প্রতিনিধি ও বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন একজন সংবাদকর্মী হিসাবে প্রতিবেদকের উচিত ছিলো সত্য ঘটনা প্রকাশ করা তিনি তা না করে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে অপসাংবাদিকতা করেছে। সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন অপরাধ করলে তার প্রশাসনিক বিচার হবে।তার ফলাফল নিশ্চিত না করে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ আইনত অপরাধ।প্রেসক্লাবটির সাধারন সম্পাদক সময় টিভির বেনাপোল প্রতিনিধি মোঃ আজিুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিদিনের কথার বেনাপোল প্রতিনিধি মোঃ আনিছুর রহমান এ ঘটনাকে শাহাবুদ্দিন অপসাংবাদিকতার স্বীকার বলে জানিয়েছেন।তারা অনতি বিলম্বে এ সমস্ত হলুদসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছার হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী শাহাবুদ্দিন বলেন কথিত সাংবাদিক মুরাদ এর অপকর্ম অতিশিঘ্রী জনসন্মুখে তুলে ধরবো যার মাধ্যমে জনসাধারন বুঝবে সাংবাদিকতার আড়ালে তার মূল কর্মযঙ্গ।