ঝিকরগাছায় লকডাউনে চলছে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ : দোকানীদের অন্যত্র বসার ব্যবস্থা

ঝিকরগাছা(যশোর)অফিস:যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমানকে, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেঊয়ের সপ্তাহ ব্যাপী লকডাউনের, দ্বিতীয় পর্যায়ে বুধবার থেকেই শুরু স্থানীয় পৌর সদরের বাজারে সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে কঠোর হস্তক্ষেপ পালন করতে দেখা গেছে। এসময় তার একান্ত সহযোগি হিসেবে কাজ করছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডাঃ কাজী নাজিব হাসান, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, সেকেন্ড অফিসার এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুজ্জামান সহ আরো প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সপ্তাহ ব্যাপী লকডাউনের দ্বিতীয় পর্যায় বুধবার শুরু হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান বিকালে বাজার পরিদর্শনে গেলে বাজারের বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ রাস্তার উপর অবৈধ দোকানীদের বিষয় নিয়ে অভিযোগ আনেন যে, সাধারণ মানুষের চলাচলের সময় বাধার সম্মুখীন হচ্ছে এবং এর ফলে বাজারে ভিড় সৃষ্টি হচ্ছে। এই কথা শুনে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান রেলওয়ে স্টেশনের অতিরিক্ত স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় রাস্তার পাশে থাকা ফলের দোকান ও মুদি দোকানের সামনে থাকা অবৈধ দোকনীদের রেলওয়ে স্টেশনের অতিরিক্ত স্থানে করোনা পরিস্থিতি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বসতে রাতেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডাঃ কাজী নাজিব হাসানকে নির্দেশ দেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
বৃহস্পতিবার সকালে থানা পুলিশ কে সঙ্গে নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডাঃ কাজী নাজিব হাসান বাজারে উপস্থিত হয়ে রাস্তার পাশে ও দোকানের সামনে থাকা অবৈধ দোকনীদের দুপুরের মধ্যে রেলওয়ে স্টেশনে সামাজিক দূরত্ব মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেন। অন্যথায় আইন অমান্যকারীদের প্রতি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও তিনি মাস্ক পরিধান না করায় একজনকে এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় সামাদ এন্টারপ্রাইজকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করেন।