পোল্ট্রি:নিরাপদ পণ্য উৎপাদন করুণ,সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ুন

মো:সিরাজুল ইসলাম

শুরুতে বলতে হচ্ছে ফার্ম পরিচালনা করতে নিজের লাভের কথা চিন্তা করে অন্যের ক্ষতি কাম্য নয়!
এক সময় জনসংখ্যা ছিলো অনেক কম তখন গ্রাম গঞ্জে পারিবারিক ভাবে গৃহপালিত প্রাণী যেমন হাঁস মুরগী কবুতর পালন করে ডিম ও মাংসের প্রয়জনীয় চাহিদা মেটানো হতো! বর্তমানে ক্রর্ম-বর্দ্ধমান ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে জনসংখ্যা, এই বিপুল জনগুষ্টির খাদ্যগ্রহণের যে পরিমাণ প্রোটিন বা দৈনন্দিন ভোজনের প্রয়োজনীয় মাংস ডিম বর্তমান আত্মা সামাজিক প্রক্ষাপটে গ্রাম গঞ্জে উৎপাদিত পণ্য দিয়ে মেটানো সম্ভব নয়! বিজ্ঞানীদের বহু দিনের অন্তহীন চেষ্টায় আশির দর্শকে থেকে প্রতিনিয়ত কৃষিতে ব্যপক বিস্তর বিপ্লব সংঘষ্টিত হচ্ছে-

ধারাবাহিকতায় পোল্ট্রি’তে নুতন নুতন ব্রিড উদ্ভাবন বলা যেতে পারে, যাহা স্বল্প সময়ে অধিক বর্ধনশীল অর্থাৎ কম সময়ে অধিক পরিমাণ মাংস ডিম উৎপাদন ক্ষমতা রাখে এবং আমাদের এই অধিক জনবহুল দেশে বেকার ভাই বোনেরা পোল্ট্রি ফার্ম করে বেশ ক্রর্ম সংস্থান হয়েছে হচ্ছে আর্থসামাজিক উন্নয়ন!

লক্ষণীয় বিষয়ঃ অল্প সময়ের অধিক উৎপাদন করতে গিয়ে নিজের অজান্তেই অন্যের ক্ষতি করে ফেলছি, যতটা বিজ্ঞান সম্মত- তার চেয়েও কম সময়ে গ্রোথ এনে দূত বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে খামারিগন অতিরিক্ত মাএরে রাসায়নিক- ভিটামিন নামক কিছু ঔষধ ও অপ্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে আসছে, দুঃখ জনক হলেও সত্যি যাহা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বটে!

মনে রাখা প্রয়োজনঃ কেবল মাএ ঔষধ কোন সমাধান হতে পারে না, ফার্মে সঠিক পরিচর্যা বা প্রতিকারই মূল বিষয় তাই ঔষধের উপর নির্ভরতা কমিয়ে নীয়ত মেনে ফার্ম পরিচালনা করুণ এন্টিবায়োটিক ব্যবহার পরিহার করুন, একান্ত প্রয়োজনে ব্যবহার হলে ব্যবহারের ৫-৭ দিন পর পন্য বাজারজাত করুণ, এতে করে এক দিকে যেমন ফার্মে ব্যয় কমবে উপ-র দিকে নিরাপদ পণ্য উৎপাদনে সহায়ক হবে।

বাজারজাতঃ ব্রয়লার মুরগীর ওজন কমপক্ষে ২কেজি ও সোনালী ১কেজি না হলে বাজারজাত থেকে বিরত থাকুন, তাতে করে আপনি যেমন লাভবান হবেন তেমনি ভোক্তাগন পাবে নিরাপদ খাদ্য এখানে উল্লেখ্য যে আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা যতটা বেড়েছে চাহিদা রয়েছে তা’থেক কম যার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো পণ্য উদ্ধৃত থেকে যাচ্ছে, যার কারনে হরহামেশা বাজারে দর পতন পরিলক্ষিত হচ্ছে, প্রায়শই দেখা যায় প্রান্তিক খামারিগন লোকসানের মুখে পড়ে পরে পুঁজি হারিয়ে সর্ব সান্ত হচ্ছে,
রপ্তানি প্রক্রিয়াঃ উল্লেখ্য যে আমাদের উৎপাদিত পণ্য (মাংস ও ডিম) বিশ্ব বাজারেব এখনো মান সম্মত ভাবে বিবেচিত নয়! যার দরুন বহু চেষ্টা সত্ত্বেও বানিজ্যে বহিঃ বিশ্বের সাথে (রপ্তানিতে) আমরা পিছিয়ে রয়েছি, যার মূলেও রয়েছে এন্টিবায়োটিক মুক্ত নিরাপদ পণ্য উৎপাদন যার প্রেক্ষিতে আমাদের প্রচেষ্টা হওয়া উচিৎ উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে (অতিরিক্ত পন্য) বাহিরে রপ্তানি, তা-না হলে প্রান্তিক খামারিগন সর্বদাই থেকে যাচ্ছে ঝুঁকির মধ্যে অতএব নিরাপদ পণ্য উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই, আর তাতে বাঁচবে খামারি মিটবে কোটি মানুষের নিরাপদ পুষ্টির চাহিদা, শিল্প পাবে স্হায়ীত্ব দেশে আসবে বৈদেশিক মুদ্রা, সমৃদ্ধিশালী হবে স্বপ্নের বাংলাদেশ।

বিনিত নিবেদনঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম ব্যবস্হাপনা পরিচালকঃ ব্রাদার্স পোলট্রি ইন্টারন্যাশনাল ও পোল্ট্রি মিডিয়া ইন্টান্যাশনাল, ঢাকা।
দীর্ঘ দুই যুগ ধরে পোল্ট্রি শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে-