মনিরামপুরের বিভিন্ন বাজারে  পর্ন্যগ্রাফি ব্যবসা জমজমাট

 প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ইমরান কবির শিহাব: যশোরের  মনিরামপুর উপজেলার  বিভিন্ন ইউনিয়নের  বাজারগুলোতে কম্পিউটার এ গান ডাউনলোডের নামে অবাধে চলছে সমাজব্যধি  পন্যগ্রাফি আদান প্রদানের ব্যবসা । সরেজমিন তদন্তে দেখা গেছে ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের  ঢাকুরিয়া বাজারে  শুভজিৎ বিশ্বাস, শাওন কম্পিউটার, অনুষ্কা মোবাইল সার্ভিসিং, আনন্দ কম্পিউটার, হাদি কম্পিউটার, চঞ্চল ও রনি কম্পিউটারসহ  ৭ থেকে ৮ টি দোকান  ও বেশী দোকান হয়েছে মোবাইল সার্ভিসিং নামে। স্বন্ধ্যার পর এ দোকান গুলোতে  তরুন ও অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের ভীড় । গ্রাহক কম দামে উন্নত সুযোগসুবিধায় এখন যে মোবাইলগুলো ব্যাবহার করছে তাতে নিজেরাও অনেক সময় নিজেদের অনেক গোপন দৃশ্য ভিডিও করে রাখেন । এই মোবাইল সেটগুলো যখন কোন ডাউনলোড বা সার্ভিসিং দোকানে যায় তখন দোকানি এক ক্লিকেই তার অজান্তে গ্রাহকের সব তথ্য কপি করে রাখে ,আবার গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী অশ্লীল দৃশ্য ,ছবি আপলোড করে দেয় । শুধু বিদেশী নয় এখন এই পদ্ধতিতে দেশেরই শহর গ্রামের অনেকেরই গোপন এসব দৃশ্য অজান্তেই চরা দামে বেচাকেনা হচ্ছে । শুধু ঢাকুরিয়া  বাজার নয় মনিরামপুর  পৌরসভার  দোকানগুলোতেও পন্যগ্রাফী ছবি ,মুভি ও দেশীয় নামে অশ্লীল ভিডিওগুলোর আদান প্রদান ব্যবসা রমরমা চলছে । উন্নত প্রযুক্তির সুবাধে এসব গিয়ে পরছে তরুন তরুনী ও যুবকদের হাতে । শহরের চেয়ে গ্রামগন্জের বাজারগুলোতেই এখন এসব বেশী চলছে । গ্রামের ব্যবহারকারীরা অপেক্ষাকৃত ইন্টারনেট ব্রাউজিং কম পারে এবং নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকার কারনে ডাউনলোডের দোকানে ভীর চোখে পরার মত । অশ্লিল এই বিষয়টি নিয়ে ঢাকুরিয়া বাজারজুড়ে চলছে কানাকানি তবে ভয়ে অনেকেই মুখ খুলছেননা। বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় অন্য ব্যবসায়ীরা ।ঢাকুরিয়া বাজার কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রাশেদ আলী বলেন, ভাই এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে দেখছি ঢাকুরিয়া বাজারে এসব চলতে দেয়া হবেনা।   ঢাকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন,শিক্ষার্থী ও যুবকরা সবাই যেনো ভালোভাবে চলে এবং তারা কিছুতেই যেন সমাজের খারাপ কোনো কাজের সাথে না জড়ায় এবং ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন যারা এই অবৈধ ব্যবসা করছেন তাদের প্রতি প্রশাসনের নজরদারি থাকা উচিত। জানতে চাইলে ৪ নং ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী সরদার জানান, আগে থেকে বিষয়টি আমার জানা ছিল না আপনার মাধ্যমে যখন জানতে পেরেছি আমি এখনই ওদেরকে ডেকে নিয়ে সতর্ক করে দেব এবং কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।  স্থানীয় প্রশাসনের এসকল দোকানগুলো নজরদারীতে নিয়ে আসা উচিত এবং মাঝে মধ্যেই পন্যগ্রাফী ও কপি আইনে কম্পিউটার ল্যাপটপগুলো চেকিং এর ব্যবস্থা করলেই অপরাধগুলো সনাক্ত করা সম্ভব বলে সচেতন নাগরিকদের দাবী।