চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণের ১২ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী।

সোমবার বাংলাদেশ জার্নালকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রেস্টিজিয়াস মেডিকেল জার্নাল ল্যান্ডসেট দুতিনদিন আগে একটি প্রকাশনা বের করেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, যেদিন ভ্যাকসিন দেয়া হলো তার থেকে ২২ দিন পর করোনার বিরুদ্ধে মোটামুটি রেজিস্টেন্স গ্রো করতে শুরু করে। যারা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন তারা যে করোনায় আক্রান্ত হবেন না এরকম কোন বিষয় কিন্তু নয়। কিন্তু ভ্যাকসিন গ্রহণকারী ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হলেও তারা মাইল ফর্মে হবে, তাদের কারও হাসপাতালে যাওয়া লাগবে না। এর একশন থাকে ১২ সপ্তাহ বা তিন মাস। তিন মাসে গিয়ে যদি সেকেন্ড ডোজ নেয়া হয় তাহলে শতকরা ৮২ শতাংশ বা তার একটু বেশি এটা ইফেক্টিভ, আর যদি ৮ সপ্তাহ পর দেয়া হয় তাহলে ৬২ শতাংশ। সুতরাং সায়েন্টিফিক্যালি জাজ করলে ১২ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া উচিত।

দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেকের প্রস্তাবিত টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’ খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই মানবদেহে পরীক্ষামূলক ব্যবহারের (ট্রায়াল) জন্য অনুমোদন হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটি ইথিক্যালি কমিটির কাছে রয়েছে। ওটা একটি স্বাধীন কমিটি। তবে আমার ধারণা এটা অলমোস্ট ফাইনাল স্টেজে আছে। সুতরাং অনুমোদনের বিষয়টি খুব বেশি দেরি হওয়ার কথা না।

পিএনএস