অর্পণ পর্ব (১৪) : কাঞ্চন চক্রবর্তী

অর্পণ পর্ব (১৪)
কাঞ্চন চক্রবর্তী

বলিয়াছিলাম তাহা কি সম্পন্ন হইয়াছে?” “এখনই করিয়া দিতেছি দিদিমনি” গৃহ ভৃত্য ভোলা দৌড়ে রন্ধনশালায় চলিয়া গেল, “আমার বন্ধুরা এক্ষুনি চলিয়া আসিবে অথচ একটা দায়ীত্ব টুকু পালন করিতে পারে না” ডিসকাষ্টিং, হটাৎ কলিংবেলর ঘন্টাধ্বনি বাজিয়া উঠিল,কিন্তু কেহ কপাট খুলিয়া দিবে এমন নর নিকটে নাই, কেবা খুলিয়া দিবে, ভোলা রহিয়াছে রন্ধনশালায় আর রেখা তাহার নিজ কক্ষে,ঘন্টাধ্বনি বাজিয়া চলিয়াছে, এমন সময় অর্পণ দ্রত আসিয়া কপাট খুলিয়া দিল,কপাট খুলিয়া দেবার সাথে-সাথে অল্প বয়োসি কিছু বালক বালিকা ভিতরে প্রবেশ করিলো, এবং রিয়া নামের বালিকা বলিল “কে তুমি?” “না-মানে আমার নাম অর্পণ আমি গ্রাম হইতে আসিয়াছি,” “ও বোধকরি নুতন চাকর” “এই তো রেখা আসিয়া গিয়াছে”, “কিরে তোরা কখন এলি?” “এইতো এই মাত্র,” ‘বস আজ মন ভরিয়া ইনজয় করিব,” “যাও তুমি এখানে দাড়াইয়া রহিয়াছো কেন? যাও ভিতরে যাও,” “হ্যা যাইতেছি বলিয়া অর্পণ মস্তক নত করিয়া প্রস্থান

অর্পণ(পর্ব ১৫)
রেখা হইতে অর্পণ বয়সে চার/পাঁচ বছরের বড় হইবে তার পরও তাহাকে তুই তুকারি করিয়া বাক্য বিমিময় করিয়া থাকে,তাহাতে অর্পণ কখনও প্রতিবাদ করে নাই, হিতাহিত জ্ঞান পর্যন্ত নাই, কাহার সহিত কেমন ব্যবহার করিতে হইবে তাহার সাধারণ জ্ঞানের প্রচুর অভাব রহিয়াছে, যেমন একটি বৃক্ষ যদি ক্ষদ্র অবস্থায় তাহাকে সমূলে বিনাশ করা হয় তাহা হইলে অল্প পরিশ্রমে বিনাশ করা সম্ভব, আর বৃক্ষটি যদি বিশাল আকার ধারণ করে তাহা হইলে তাহাকে নিধন করিতে হইলে তাহাকে বেশি পরিমান শ্রম লাগিবে, তেমন রেখাকে বাল্যকাল হইতে তাহাকে আঁদর দিয়া বাঁদর তৈরী করিয়াছে তাহার পিতা,রিয়া বলিলো “হ্যা রে রেখা তোদের নুতন চাকরটা বেশ দেখিতে সুন্দর মনে হইতেছে সিনেমার হীরোর সম লাগিগেছে, যেমন গায়ের গড়ন তেমনি তাহার রূপ, বেশ হ্যান্সাম” “কিরে রিয়া তুই কি ওর প্রেমে পড়ে গেলি নাকি?” “ধ্যাৎ কি যে বলিস? আমি ওর প্রমে পড়িতে যাইবো কেন?” “ওটা আনিয়াছিস?” ” তুই বলিয়াছিচ আর আমি

চলবে- – – –