না ফোটা কলির গল্প (১৫) : কাঞ্চন চক্রবর্তী

না ফোটা কলির গল্প (১৫)
কাঞ্চন চক্রবর্তী

করা, পবিত্র ইসলাম ধর্মে বলা আছে তার শ্বশুর বাড়ির টাকা নেওয়া মানে যৌতুক নেওয়া আর যৌতুক নেওয়া রাষ্ট্র তথা ধর্ম বিরধি কাজ, তাই তোমার টাকা নিলে আমার ধর্ম বিরধি কাজ হিসাবে পরিগনিত হবে, তাই আমি তোমার টাকা নিতে পারবোনা ধর্মে আরো বলা আছে যে, স্ত্রীর যৌবন সাগরে ভাষার পূর্বে তার কাবিনের টাকা পরিশোধ করতে হবে” “তাহলে বিয়ের পূর্বে তুমি আমার যৌবন সাগরে ভাষার আগে তুমি আমার কাবিনের টাকা পরিশোধ করলে না কেন?” “তুমি একেবারে ঠিক বলেছো, তার কারণ হলো তোমার আর আমার বিয়ে এখন ও হয়নি তাই কাবিনের টাকা ধার্য করা হয়নি, তাই কাবিনের টাকা দেব কেমন করে? আজ অথবা কাল যখন বিয়ে হবে তখন কাবিনের ধার্য করা টাকা পরিশোধ আমি অবশ্যই করবো?” “তাহলে বিয়ের পূর্বে কোন নারীর দেহ ভোগ করার নিয়ম কি আছে?” “না, মদ তো ইসলামে বৈধ নয় তাহলে তুমি মদ পান কেন করলে?” “আসলে আমার ভুল হয়ে গেছে আমি তওবা করে নেব,আমি যা কিছু করেছি তা তোমার মনোরঞ্জের জন্য করেছি, তবে কাজটা করা আমার উচিৎ হয়নি, আমি নেশার মাথায় করে ফেলেছি,এসো ডিনার করে নাও” দু’জনে রাতের খাবার শেষ করলো। তারিক ঠিকই বলেছে,আসলে তারিক অনেক একজন বড় মনের মানুষ ধার্মিক ও বটে তানা হলে আমার কাছে নগত এককোটি টাকা ও পচিশ লক্ষটাকার গহনা আছে তারিক তা জানা অবস্থায় আমার টাকা বা গহনার উপর তার কোন

না ফোটা কলির গল্প (পর্ব ১৬)
লোভ নেই আবার নিজে মদ পান করেনা শুধু আমার মনোরঞ্জন করার জন্য আমাকে মদ খাইয়েছে বা নিজে মদ খেয়েছে, এতো ভাল মানুষ আমার চোখে আর পড়েনি, আল্লাহ পাঁকের কাছে আমি এমন একজন স্বামী চেয়েছিলাম, আল্লাহ পাঁক আমার মনের বাসনা পূর্ণ করতে চলেছেন।মাছ ধরতে হলে যেমন পূর্বে মাছকে খাবার দিয়ে একত্র করতে হয় তার পর জাল বিছিয়ে একত্রে ধরতে হয় তেমনি তারিকও এমনটি করেছে,সাধুর আড়ালে অসাধু কর্ম,তনু তারিক আবার যৌন লিলায় মত্ত হয়ে গেল সারাটা রাত কেটে গেল এক মূহুর্ত যেন অবসর নেই ওদের হাতে, দু’টো শরীর কখন জানি ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে কেউ তা জানেনা দুপুর বারোটা বাজে দু’জনে ঘুম থেকে উঠে গোসল করে বসলো বিছানায়, তনু বললো “আচ্ছা আমরা বিয়ে করবো কখন আর বাড়িতেই যাবই বা কবে?” “শোন বাবা এখন আমেরিকায় আছে ব্যবসার কাজে উনি দশদিন পর ফিরবেন তখন বাবাকে বুঝিয়ে বাড়িতে উঠবো” “তোমার বাবা যখন বাড়িতে নেই তখন এই সুযোগে আমরা বাড়িতে উঠতে পারি” “না তা হয়না, কারণ আমরা যদি বাড়িতে উঠি তাহলে বাড়ির লোকজন জানাজানি হবে পেপার পত্রিকার উঠবে, তাছাড়া থানা পুলিশ হতে পারে এসবের ঝামেলা থেকে বিরত থাকতে হলে আমাদের বাবা না আশা পর্যন্ত্য আমাদের এখানেই থাকতে হবে” “তাই বলে আমাদের দশদিন হোটেলে বদ্ধ ঘরে থাকতে হবে?” “একটু কষ্ট করো মাত্র তো কটাদিন দেখতে-দেখতে আনন্দ ফুর্তিতে কেটে যাবে, বড় কিছু অর্জন করতে হলে ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র অর্জনকে

চলবে- – – – –