না ফোঁটা কলির গল্প (১৩) : কাঞ্চন চক্রবর্তী

না ফোঁটা কলির গল্প (১৩)
কাঞ্চন চক্রবর্তী

হাতে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো সবার চক্ষুর আড়ালে অজানার উদ্দ্যেশে,তারিক নিচে মাইক্রো বাস নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছে, তাতে কি হয়েছে অপেক্ষার ফল সুমিষ্ট হয়, এবার সেই অপেক্ষার ফল পাওয়ার অপেক্ষা মাত্র, তনু নিচে এসে মাইক্রোতে এসে তাড়া তাড়ি বসা মাত্রই খুব দ্রুত গতিতে সেই স্থান ত্যাগ করলো, তনু বললো “আমরা এখন কোন কাজী অফিসে যাচ্ছি?” “এখন কোন কাজী অফিসে যাবনা কারণ, এখন যদি কোন কাজী অফিসে যাই আমার তোমার এবং তোমার বাবা পরিচিত কেউ জানলে বিয়েটা হতে দেবেনা, তাতে বিপত্তি বাড়বে” “তাহলে?” “আমরা কেন নির্জন হোটেলে গিয়ে উঠবো তার পর কোন পরিচিত কাজীকে দিয়ে বিয়ের কাজটা শেরে ফেলবো” ” ঠিক আছে? তা অবশ্য ঠিক বলেছো, তাই হোক” গাড়িটা শহরের বেশ দূরে একটা হোটেলের কাছে এসে দাড়ালো, তাকিক বললো “এসো আমরা এখানেই থাকবো” “এখানে?” “কেন তোমার কোন আপত্তি আছে?” ” না তা নয়” পূর্ব থেকে সব পরিকল্পনা করা ছিল যেহেতু তাই হোটেলের একটা ডবল বেডের রূম বুকিং করা ছিল, তারিক তনুর ব্যাগ ল্যাগেজ নিয়ে সোজা পাঁচতলা উঠে গেল যে রূমটি বুকিং দেয়া ছিল তারিক “এই শোন আমি বেশি টাকা পয়সা আনতে পারিনি সামান্য কিছু এনেছি তুমি কি এনেছো?” “আমি যা এনেছি তাদিয়ে আগামী দু’বছর অনায়াষে কাটিয়ে দিতে পারবো তোমার কোন চিন্তা নেই” “তা কত হবে?” “এককোটি আর স্বর্ণ পঞ্চাশ ভরির মত হবে” “বাহ্ একটা কাজের মত কাজ করেছো” তনু পরিধিয় পোশাক বদল করে ইজি পোশাক পরিধান করলো এবং

পর্ব (১৪)
না ফোঁটা কলির গল্প
তারিক ফ্রেস হয়ে তার কাছে রক্ষিত বিদেশি মানে বিলেতি মদের বোতল বের করে বললো এটা চলবে তো? কেন নয় অবশ্যই চলবে, দু’জনে মাত্রার অতিরিক্ত মদ্যপান করলো,
তার পর তারা মিলিত হলো যৌন লিলায় যেন নববধু আর বর,সেই দুপুর বারোটায় তারা যৌন লিলায় মত্ত হয়েছে এখন সন্ধ্যা ছয়টা বাজে তবুও তাদের যৌন লিলা সাঙ্গ হবার কোন সম্ভাবন নেই গাড়ি চলছে তো চলছে অভিরাম গতিতে, দু’জনে খাবার বলতে সকালের নাস্তা মাত্র আর কিছু মুখে তোলা হয়নি, কিছুক্ষনের জন্য যুদ্ধ বিরতি ঘোষনা দেওয়া হলো উদরটা কে রিচার্জ করার জন্য,দু’জনে বার্থরূমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে এলো বিছানায়,তার পর হোটেল ম্যানেজারকে ফোন করে রাতের খাবারের অর্ডার করলো কিছুক্ষণ পর খাবার এলো দু’জনে রাতের আহার সম্পন্য করে নিল, এর পর হোটেল বয় এলো তাদের রূমভাড়া আর খাবারের ভাউচার হাতে করে,ভাউচারের বিল পরিশোধ করার জন্য তনু টাকা দিতে গেলে তারিক তাতে বাঁধা দিল বললো তুমি টাকাটা দিবে কেন? তারিক নিজের পকেট থেকে টাকাটা বের করে দিয়ে হেটেল বয়কে বিদায় করে দিল, “তোমার কাছে সামান্য টাকা আছে আর আমার কাছে আছে অঢেল টাকা আমি দিলে দোষ কি?” “আমি তোমার টাকা খরচা করতে পারবো না তার কারণ,ওটা তোমার টাকা” “আমার টাকা কি তোমার টাকা নয়? দেখ তনু যতদিন তোমার আর আমার বাবা-মা মেনে না নেয় ততদিন ঐ টাকা আমি খরচ করতে পারবো না, তাছাড়া সব স্বামীর উচিৎ তার স্ত্রীর ভোরন পোষণ

চলবে- – – – –