না ফোঁটা কলির গল্প : কাঞ্চন চক্রবর্তী (পর্ব ০৯)

পর্ব (০৯)
না ফোঁটা কলির গল্প
কাঞ্চন চক্রবর্তী

তার কন্যাকে আমার সাথে বিয়ে দেবেননা, এমনকি তিনি যদি জানেন পারেন তাহলে আপনার বাড়ি থেকে বের হতে দেবেননা, আমি একবার আমার বাবার সাথে কথা বলে দেখতে পারি? আমার জানা মতে আপনি এই কাজটি করবেন না,আপনি যদি আমাকে বন্ধু মনে করেন তাহলে বাদ দিন,একটা পথ খোলা আছে যদি সেটা আপনি মেনে নেন, সেটা কি? আমরা পালিয়ে বিয়ে করতে পারি,পালিয়ে বিয়ে করাটা কি ঠিক হবে? কেন নয়? ঠিক আছে আমরা কালই বিয়ে করবো,একটু সমস্যা আছে আছে কালই বিয়েটা করা হচ্ছেনা কারণ, যদিও আমি চৌধুরী গ্রুপ অব ইন্ডাট্রিজের ভবিষ্যৎ এর কর্ণধর কিন্তু আমার উপরে বাবা আছেন, আপনাকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করতে হলে কিছুদিন আমাদের তো গা ঢাকা দিয়ে চলতে হবে তাইনা? হ্যা তাতে কি হয়েছে? আগামি মাসে আমার হাতে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা আসবে তখন বিয়েটা করা যাবে, এখন আমার কাছে টাকা নাই সেজন্য বলছি আপনি একটা মাস অপেক্ষা করুন, কিযে বলেন এই সামান্য টাকার জন্য বিয়েটা পিছিয়ে দিতে বলছেন? ঠিক আছে টাকার ব্যবস্থাটা নহয় আমি করবো! না-ন-ছি-ছি স্ত্রীর টাকায় খরচা করা আমার কাছে অপমানের সমান, কি যে বলেন আমার টাকা কি আপনার টাকা নয়? আর আপনার টাকা কি আমার টাকা নয়? আপনি আর আপত্তি করবেন না, ওকে তাই হবে, তাহলে কাল সকাল দশটায় আমি আপনাদের বাড়ির নিচে
গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করবো আপনি চলে আসুন ওকে আপনার যা মর্জি,তনু আর তারিক খাওয়া দাওয়া শেষ

না ফোঁটা কলির গল্প (পর্ব ১০)
করে ওয়েটারকে ডেকে বিল জিজ্ঞাসা করলো, ওয়েটার তিন হাজার দুইশত টাকার বিল ধরিয়ে দিল, তারিক মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার পাঁচশতটাকা দিয়ে বললো বাকিটা তোমার,চলো আজ ওঠা যাক কাল সকাল দশটায় দেখা হচ্ছে ইনশাল্লা খোদা হাফেজ” তনু খোদা হাফেজ জানিয়ে চললো নিজ-নিজ বাড়ির পানে।মজার বিষয়টা হচ্ছে তনু জীবনে শত-শত ছেলে তাকে একটু কাছে দু’দন্ড গল্প করবে তার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে বসে থাকে দিনের পর দিন মাসের পর মাস, অথচ তারিক মাত্র এক ঘন্টার মধ্যে তাকে জয় করে নিল তার কারণ হলো তার রূপ আর বাচন ভঙ্গি এবং কথা বলার ষ্টাইল, যেমন ধর্মিও ভাবে সালাম আদান প্রদান করা, বস্তির মাঝে জীবন যাপন করেও উচ্চবিলাসী ভাবের পোশাক পরিধান করা, অশিক্ষিত হয়েও ইংরেজীতে কথা বলা, এবং ধনি ব্যাক্তির ন্যায় দু’হাতে দেদাছে খরচা করা এসব দেখে যে কেউ ভাববে সেধনি ঘরে জন্ম এবং কোটিপতি, আর এই ফর্মুলা এ্যাপলাই করে বলেই সে যে কোন ব্যাক্তির কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনা, তাছাড়া শুদ্ধ ভাষায় বাক্য বিনিময় করার সর্বদা চেষ্টা করে থাকে যাতে কেহ বুঝতে না পারে তার জন্ম বস্তিতে, কথায় বলে চক-চক করিলে স্বর্ণ হয়না,অথবা খালি কলোসি বাজে বেশি তারিকের অবস্তা এমন, মাকাল ফল যতোই সৌধার্য বহন করুক না কেন ভিতরে দেখতে বিড়ালের বিষ্ঠার ন্যায়, কিন্তু কিছু মানুষ মাকাল ফলকে দেখে তাকে কাছে পাবার জন্য উন্মাদ হয়ে যায়, যখন সেটাকে

চলবে- – – –