না ফোঁটা কলির গল্প (পর্ব ০৭) : কাঞ্চন চক্রবর্তী

:কাঞ্চন চক্রবর্তী । টাইম ভিশন ২৪

না ফোঁটা কলির গল্প
কাঞ্চন চক্রবর্তী

অন্যজন “হ্যালো ম্যাম আমি তারিক সাহেবের পি এস বলছি, আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে পৌছে যাব ইনশাল্লা” বলে ফোনটি কেটে দিল,কিছু মূহুর্ত পর কোটিটাকা দামের এসি মাইক্র বাসটি এসে দাড়ালো হোটেল ইজুমির সামনে, তনু হোটেলের যে টেবিলে বসেছে সেখান থেকে হোটেলের প্রবেশ পথের ঠিক সামনে,মাইক্রবাসটি এলো তনু তা দেখতে পেল,পিএস এসে মাইক্রোর বাসের দরজা খুলে দিলে ভিতর থেকে বেরিয়ে এলো তারিক, সাথে পি এসের হাতে ব্রিফকেস,তারিকের চোখে দামী সানগ্লাস গায়ে আধুনিক মডেলের জামা কোট টাই সাথে বিদেশি পারফিউম চুলগুলি সিনেমার নায়কের মত করে কাটানো আল্লাহ পাঁকের রহমতে দেখতে গায়ের রং দুধে আলতা মেশানো, যে কোন মেয়ে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেবে তাতে কোন সন্দেহ নেই,তারিক হোটেলে প্রবেশ করেই তনুর টেবিলের সামনে এসে বসলো “হুয়ার আর উই তনু? তনু ইতোস্থ করে বললো “ফাইন,বাট উই?” “আই এ্যাম তাকিক “চৌধুরী গ্রুপ অব” তনু মাঝখানে থামিয়ে দিয়ে বললো “থাক-থাক আর বলতে হবেনা এবার বুঝেছি আপনি তারিক হাসান তাইতো?” তারিক বিনয়ের সাথে বললো “জী ম্যাম এই অধম বান্দার নাম তারিক হাসান” “কি বলছেন আপনি? আপনি হোলেন চৌধুরী গ্রুপ অবইন্ডাট্রিজের কর্ণধর নিজেকে অধম হিসাবে পরিচয় দিচ্ছেন কেন?” ” কি যে বলেন,মানুষ মরণশীল আজ মরলে কাল দুইদিন, আল্লাহ পাঁকের কথায় দুনিয়াতে এসেছি আবার তার কথা মত চলে যাব কি হবে এমন প্রাচুর্যের দম্ভ করে?তাই আমি

না ফোঁটা কলির গল্প পর্ব (০৮) নিজেকে আমি কখনও দামী ভাবিনা সবাইকে সমান ভাবে ভাবি, আমার এতো টাকা পয়সা সে তো রয়ে যাবে কিছুই সাথে যাবেনা,তাই নিজেকে বড় মনে করিনা,ওয়েটার প্লিজ কাম, আমি সকালে ব্রেকফাষ্ট করিনি আমার ভিষণ ক্ষুধা পেয়েছে বলুন আপনি কি খাবেন?” “আপনার যা ইচ্ছা” (ওয়েটার খাবারের তালিকা এনে সামনে দাড়ায়) তারিক খাবারের তালিকায় তার ইচ্ছা মত অডার দিয়ে দিলো দিল, (ওয়েটার চলে গেল) তনু তারিকের পানে এক নজরে চেয়ে রইলো এমন অপরূপ রূপ যেন আর কোন দিন কোন ছেলের হয়না,তার রূপে যেন মুগ্ধ হয়ে গেছে, চোখের পলক ফেলতে পারছেনা তনু, “কি হলো, কিছু বলছেন না যে ? আপনি কি বোবা হয়ে গেলেন?” “না মানে ইয়ে,বলছিমাল ভাবিকে নিয়ে একদিন আসুন আমাদের বাড়ি” “ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে ও কাজটি এখনও করা হয়নি” “মানে বিয়ের পিড়িতে এখনও বসতে পারেননি?” “তা কারো জন্য কি অপেক্ষা করছেন?” “এমন নয়,তবে এবার মনে হয় বিয়েটা করে ফেলতে হবে” “কেন কারো মনে ধরেছে নাকি?” “তা বলতে পারেন” “তাই,কে এমন সৌভাগ্য বতি মহিলা?” “কালকে নাহয় তার ছবি আপনাকে পাঠিয়ে দেব” “সে কি আমার থেকেও সুন্দরী?” “না, ঠিক আপনার মত” “কি যে বলেন ঠিক আমার মত? তা কি করে হয়?” “বিশ্বাস হয়না? আচ্ছা যদি বলি সেই মেয়েটি আপনি! “জী সেই মেয়েটি আমি তবে আমার দুর্ভাগ্য যে, ব্যবসায়ী কারণে আপনার বাবা আমাকে পছন্দ করবেন না, তার কারণ আপনার বাবার সাথে ব্যবসায়ী দ্বন্দ্ব আছে,সে কোনদিনই

চলবে- – – –