ড্রাফ্ট সার্ভে সি বিচ করা ও পন্যের সঠিক টনেজ আনলোড পূর্বে জানানোর দাবি লাইটার শ্রমিকদের

মোহাম্মদ মজিবুলহক: চট্টগ্রামে লাইটারেজ জাহাজসমূহে ড্রাফট সার্ভে সি বিচ করতে এবং লোড জাহাজের সার্ভে অনুযায়ী টনেজ নির্ধারণ কত তাহা আনলোড পয়েন্টে যাওয়ার আগে জানানোর জোর দাবি জানান বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ <প্রাঃ> নৌ-যান এর ১ম শ্রেণির মাস্টার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানানঃ আমরা গত কয়দিন আগে আমাদের লাইটার জাহাজগুলো নিয়ে শ্রমিকদের ভোগিত সমস্যা নিরসনে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে লেখালেখি করি এবং অনলাইন পত্রিকায়ও খবরগুলো প্রকাশ করে। আমাদের দাবি ছিলোঃ বন্দর চ্যানেল নিরাপদ রাখতে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সি বিচ সাম্পান ঘাট চালু ও বাংকার সরবরাহ এবং ড্রাফ্ট সার্ভে করতে হবে কিন্তু সাম্পান ঘাট চালু করলেও বাকি দুইটি দাবি পূরণ করা হয়নি, আর সাম্পান ঘাট চালু করলেও পাড়াপাড়ের ভাড়া ধরা হচ্ছে অতিরিক্ত।

জাহাঙ্গীর আরো বলেনঃ আমাদের নাবিকদের দুঃখ দুর্দশাগুলো জাতীয় পত্রিকায় তুলে ধরা হয়না তাই আমরা জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকাগুলোর মাধ্যমে আমাদের অবশিষ্ট দাবি সমূহ সম্মানিত জাহাজ মালিকদের সংগঠন ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল (ডব্লিউটিসি) এর পরিচালকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমরা আশা করবো আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আপনারা সার্ভেয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে লোড জাহাজের ড্রাপ সার্ভে সি বিচ কিভাবে করানো যায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন অন্যথায় আমরা উক্ত বিষয়ে আমরা আমাদের করণীয় নির্ধারণে বাধ্য হবো।

দ্বিতীয়ত, প্রত্যেকটি জাহাজে বহনকৃত পণ্যের সঠিক টনের পরিমাণ জাহাজ আনলোডিং পয়েন্টে বেড়ানোর পূর্বে যাতে আমরা জাহাজে দায়িত্বরত মাস্টারগন জানতে পারি এবং আপনারা জানতে পারেন সেই বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আমরা যেনো আপনাদের জবাবদিহিতার আওতামুক্ত থাকতে পারি। মনে রাখবেনঃ আপনাদের প্রত্যেকটি উন্নয়নের কাজের অংশীদার আমরা, আমাদের উদ্দেশ্য হয়রানি থেকে বাঁচা আর আপনাদের অর্থ সাশ্রয় করা এর ব্যতিক্রম কিছু নয়।