ঝিকরগাছা করিম আলী আরএকে আলিম মাদ্রাসার নিয়োগ বন্ধের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ

ঝিকরগাছা, যশোর সংবাদদাতা: যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৭নং নাভারন ইউনিয়নের অবস্থিত করিম আলী আর একে আলিম মাদ্রাসার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ বন্ধের বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিস সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন নাভারণ কুন্দিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে মোঃ আওরঙ্গজেব।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, করিম আলী আরএকে আলিম মাদ্রাসাটি তার পিতা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তাদের পরিবার উক্ত মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা করে আসছে। প্রচুর অর্থের বিনিময় বিদ্যালয়লগ্নে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিচ্ছেন। উক্ত নিয়োগে অর্থ বাণিজ্য বন্ধ করতে বর্তমানে মাদ্রাসাটির পরিচালনা কমিটি সভাপতি পদে আছেন কুন্দিপুর গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র ফজলুর রহমান ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে এই ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ০৩টি ফৌজদারি মামলা ইতিমধ্যে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিজ্ঞ আদালতে। গত ২৭/৭/২০২০ ইং তারিখে যশোর সহকারি পুলিশ সুপার সিআইডি কুন্দিপুর গ্রামের যুবলীগ কর্মী হুমায়ুন হত্যা মামলায় ফজলুর রহমানকে ১নং অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট প্রদান করেছেন। যার অভিযোগপত্র নং ১৩৮ এবং মামলা নং ১৭, তারিখ ২৩/১/২০১৫, ধারা- ৩০২/৩৪/১০৯ পিসি। এছাড়া আরো ০২টি মামলা আদালতে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় একজন একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কিভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদে বহাল থাকে তা তার বোধগম্য নয়। এই সভাপতি আবার প্রচুর অর্থের বিনিময়ে মাদ্রাসার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্প্রতি নিয়োগ দেবেন বলেও জানতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। তিনি উল্লেখিত অভিযোগ গুলো জেলা প্রশাসক, যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে স্বহস্তে দিয়েছেন এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মহাপরিচালক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা, চেয়ারম্যান মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ঢাকা এবং উপাচার্য ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় ধানমন্ডি ঢাকার ঠিকানায় পাঠিয়েছেন বলে মোঃ আওরঙ্গজেব জানান।
করিম আলী আরএকে আলিম মাদ্রাসার সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানে কোন নিয়োগ হয়নি। প্রতিষ্ঠানে কখন কোন নিয়োগ হলে আমার একার পক্ষে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয় না। আমিতো পরপর দু’বার এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হয়েছি। তাই বলে কি আমার সন্তানরা বলবে ঐটা আমার বাপের প্রতিষ্ঠান? মামলার বিষয়ে প্রকৃত যারা তাদেরকে বাদ দিয়ে আমি একটি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আমাকে নিয়ে যতো টানাটানি। এটা ক্ষেভ দেখানো ছাড়া আর কিছুই না।