ভাঙাগড়া
শামছুন্নাহার রুবাইয়া

ভাগ্যের বসতভিটায় কষ্টের খুঁনসুটিতে চোখে সরষের ফুল,জোড় বিজোড়ের হিসেব তুমুল।
ঠিক দুপুরেই যেন অস্তমিত সূর্য মুকুল।
ভালোবাসার মাসোহারা দিতে দিতে ফাঁকা হৃদয়,
কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন মনের গগনময়,
ডালভাঙা গাছের মতো,চালভাঙা ঘরের মতো,
হৃদয়ের পত্তনিতে কেন এত ঝড়?
মনের নীলকুঠিতে বৈরী হাওয়ায় নড়বড়।
নিদারুণ উল্লাসে দু’জন দু’দিকে উড়িয়ে দিকভ্রান্ত,
আতঙ্ক উদ্বেগ তাড়া করে পিছু ছুটে,হারিয়ে ফেলি চেনা দৃশ্যপট।
বদলে যায় জীবনের মোড়, মূর্তিমান পিচাশের মতো ছিনিয়ে নিয়ে যায় সুখের চন্দ্রমল্লিকা।
বানিয়ে যায় ধ্বংসস্তূপে নিমজ্জিত সরাইখানা।
মেনে নিতে হয় হিমশিম খেতে হয় প্রতি পদক্ষেপে,
কঠিন হয়ে যায় চরম ,পিছিয়ে পড়া মনের গ্যালারিতে ঢুকতে।
মুছে ফেলা যায়না,হেরফের করলেও লাভ নেই।
দুঃখপুরী এত সমৃদ্ধশালী, যা চোখের জলে চিরজীবন দেয় অঞ্জলি।
বাস্তু হারা উদ্বাস্তু হয়ে দিয়াশেলাই জ্বালে নিভে করুন অভিমানে,
জীবনের নাট্যশালা বড়ই অসমতল, ভাঙাগড়ার জোয়ার ভাটায় টালমাটাল।
উঁচু নিচুর খেলায় কেউ গর্তে পড়ে, কারো চরম বিজয়।
শনিরদৃষ্টি পড়ে কারো, কারো আবার সুখের গোলাপজল ছিটায় হিল্লোলিত মনের কঞ্চি লতাপাতায়।