ছলনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব(৩২)
ছলনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

একটু খানি ভুলের তরে অনেক বিপদ ঘটে, ভুল করেছে যারা সবে ভুক্তভুগি বটে। কবিতার সেই লাইন দু’টি মনে পড়ে গেল রমিজের,তাই সে কোন রকম ভুল করতে চায়না, তাইতো সে মুখে কুলুব এটে বসে আছে। রবিবার সকালে খুব তাড়া তাড়ি ঘুম থেকে উঠলো রমিজ, নিজের জামা কাপড় থেকে শুরু করে জুতা টুথব্রাস পর্যন্ত সব কিছু গুছিয়ে নিল, এদিকে ধান কাটার মৌসিম চলছে,বড়ভাই ও ভাবি সেদিকে কাজের চাপে ঠিক মত রান্না ও খাওয়ার দিকে ঠিকমত নজর দিতে পারছেনা,বড়ভাই ধান কাটার জন্য লোকজন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে অন্য দিকে ভাবি ধান পরিস্কার করার কাজে ব্যস্ত আছে, তার মাঝে সময় করে ভাবি রমিজ কে সকালের খাবার দিয়ে গেল, এবং বললো “রমিজ ভাই, খাবার ঢাকা দিয়ে রাখলাম সময় মত খেয়ে নিও,এই কথা বলে ভাবি চলে গেল তার নিজের কাজে, রমিজ খুবদ্রুত নাস্তা খেয়ে নিল, হয়তো আজই এ বাড়িতে তার শেষ খাবার, সব কিছু রেডি করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো,”ভাবি কলেজে যাচ্ছি” যা প্রতিদিনই রমিজ বলে থাকে। রমিজ কলেজে না গিয়ে সোজাসুজি চলে গেল রেজিষ্ট্রি অফিসে,রমিজের রেজিষ্ট্রি অফিসে প্রবেশ করার পূর্বেই মহাজন সেখানে গিয়ে কোবলা দলিল লিখিয়ে রেখেছে,শুধু বাকি রমিজের সাক্ষরের অপেক্ষায়,মহাজন রমিজ কে দেখে সস্তি পেলেন মনে”বাবা রমিজ আমি তোমার সমস্ত টাকা আর কাগজ পত্র রেডি করে রেখেছি এখন শুধুমাত্র টাকাটা গুনে নিয়ে দলিল টায় সাক্ষর করলেই কাজ শেষ,নাও বাবা টাকাটা গুনে বুঝে নাও,

চলবে- – –