যশোর ঝিকরগাছায় নাভারণে ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

ঝিকরগাছা (যশোর) অফিস : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৭নং নাভারণ ইউনিয়নে ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনজনকে বিবাদী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন কুন্দিপুর গ্রামের মৃত সুবহান মন্ডলের ছেলে আলি জব্বার (৫৮)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে শাহিনুর রহমান (৩৫), পাতি আলম হোসেনের ছেলে বাবলুর রহমান (৩৩) ও মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে মহিদুর ইসলাম (৩২) এর বিরুদ্ধে অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদীগণ মাদকসেবী, মাদকের টাকা জোগাড় করার জন্য এলাকায় চুরি ছিনতাই করে বেড়ায়। তারই ধারাবাহিকতায় ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকাল ০৪ ঘটিকার সময় বাদির ছেলে বিদেশ হতে ৫০ হাজার টাকা তার ছোট ভাই নুরে আজমের নিকট পাঠালে, বাদি উক্ত টাকা তার বাসা কুন্দিপুর মাদ্রাসা পাড়া হতে নিয়ে বাদির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে, নাভারন পুরাতন বাজার কাওছারের মিষ্টির দোকানের সামনে আসামাত্র পূর্বে থেকে ওৎ পেতে থাকা বিবাদীগণ বাদিকে পথরোধ করে। শাহিনুর তার কোমড় হতে চাকু বাহির করিয়া বাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদির পেটে আঘাত করলে উক্ত আঘাত বাদি বাম হাত দ্বারা প্রতিহত করতে গেলে, বাদির বাম হাতের তালু কাটিয়া রক্তাক্ত জখম হয়। উক্ত সময় বাবলুর বাদির লুঙ্গির কোচে মোড়ানো ৫০ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় এবং স্থানীয়রা বাদির ডাক চিৎকারে ছুটে আসলে বিবাদীগণ বাদিকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধামকি প্রদান করিয়া চলে যাওয়ার সময় মহিদুর বাদির হাতে থাকা একটি স্মার্ট ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পাতি আলম হোসেনের ছেলে বাবলুর রহমানের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করে কোন কথা বলেন না। পরবর্তীতে তার ছোট ভাই ফোন রিসিভ করে বলেন ভাই ফোন বাড়িতে থুয়ে গেছে। কিছু সময় পরে আবারও যোগাযোগ করতে গেলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নাভারণ ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের মেম্বর কাশেম সিকদার বলেন, এই বিষয়টি শুনেছি কিন্তু কেউ আমার কাছে আসেনি।
নাভারণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজাহান আলী বলেন, ঘটনার বিষয়টি সত্য। কুন্দিপুর এলাকার কিছু মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা এই কাজ গুলো করে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।
ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান, নাভারণ ইউনিয়নের ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।