ছলোনাময়ী নারী :কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (২৪)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

পরদিন সকাল দশটায় রমিজকে ঘুম থেকে ডেকে তুললো রূবি, ‘হ্যালো শুনছো, সকাল দশটা বাজে সেদিকে খেয়াল আছে তোমার ? রাতে সম্মক সমরে যুদ্ধে পরাজিত সৈনিক ক্লান্ত শরীরটা যেন বিছানা ছেড়ে উঠতে চাইছে না,কত রকম গ্রেনেট, বোমা, ভারি-ভারি,অস্ত্র ছুড়তে হয়েছে তাকে,তাই শরীরটা এতো ক্লান্ত,মনে হয় এটাই তার জীবনের শেষ যুদ্ধ,পাঠক বন্ধু হয়তো বলতে পারেন, শেষ যুদ্ধ কেমন করে?শেষ পর্যন্ত পড়লে বুঝে যাবেন,রমিজ আড়মোড়া দিয়ে বিছানা ছেড়ে উঠে বসলো “তুমি স্নান শেষ করে নাও আমি নাস্তা রেডি করছি” রমিজ ধিরে-ধিরে উঠে বার্থ রুমে গিয়ে স্নান শেষ করে নাস্তার টেবিলে এসে বসলো, “রমিজ আমাদের বিয়েটা শেষ পর্যন্ত হবে তো? নাকি মাঝ পথে শেষ হয়ে যাবে?” “আগে তো বাড়ি যাই তার পর দেখি কি করা যায়,আমি যেমন তোমার বিশ্বাসের মর্যাদা রেখেছি তেমনি যদি তুমি আমার বাবার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে পারো তাহলে তোমার আর আমার বিয়ে নিশ্চীত, (রূবি রমিজের হাতটি ধরে) তুমি টাকাটা যোগাড় করতে পারবে তো? পারবো কিনা তা জানিনা তবে চেষ্টা তো আমাকে করতেই হবে” “তুমি যদি এটা করতে না পারো তাহলে বাবা আমাকে অন্য ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেবে আর তখন আমার গলায় দড়ি দিয়ে মরতে হবে, আর আমি অন্য ছেলেকে বিয়ে করার কথা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনা,(কান্নার ছলে)তুমি আমার প্রথম তুমিই আমার শেষ মনে রেখ আমার মন প্রাণ সবই আমি তোমার পায়ে অর্পণ করেছি” “তুমি শান্ত হও রূবি

চলবে- – –