বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা হবে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়েছে শিগগিরই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে আজ সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় আরও জানানো হয় ইতিমধ্যে জাতির পিতার পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।

কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.কে.আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক প্রিন্স, মো. হাবিবে মিল্লাত, নাহিম রাজ্জাক, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভার শুরুতে কমিটির বিগত বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

সভায় বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ ও নিকট প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বর্তমান সম্পর্কের চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়া জোরদার করণে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে পারস্পরিক ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি দলের নিয়মিত বৈঠক আয়োজন, স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ ও শীর্ষ পর্যায়ে মতামত বিনিময় করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও, বিজিবি ও বিএসএফ দুই পক্ষই সীমান্ত দূর্ঘটনা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলে সভায় জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। শিগগিরই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

সভায় জানানো হয়, বন্ধুপ্রতিম যে সব দেশ কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে ও সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে, সেসব দেশের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। বাজারে আসার সাথে সাথেই বাংলাদেশ পেয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ আশ্বস্থ করেছে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহে বাংলাদেশি মিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

এছাড়া, দেশে প্রতিষ্ঠিত ঔষধ প্রস্তুতকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও পরীক্ষা চালিয়ে সফলতা অর্জন করে, তবে তাদের থেকেও সংগ্রহ করা যেতে পারে বলে কমিটি অভিমত ব্যক্ত করে।
সভায় আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুযায়ী কোন মন্ত্রণালয় বিদেশি কোন প্রতিষ্ঠান বা দেশ হতে কোন প্রকার গিফট বা সম্মাননা অথবা সাহায্য গ্রহণের পূর্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহিত পরামর্শ করতে সুপারিশ করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন। বাসস