মোংলা প্রতিনিধি: মোংলায় তিন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী মাদক সম্ম্রজ্ঞি তারা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে কুমারখালী এলাকার তার নিজ বাসার পাশ থেকে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক তারা বানু উপজেলার চাদপাই ইউনিয়নের মাছমারা এলাকার মৃত্য রুমী সরদারের স্ত্রী।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানায়, মোংলা বন্দরসহ উপকুলীয় এলাকায় ও এর আশপাশে প্রথম মাদকের প্রচলন চালু করেছে ফিরোজ তালুকদার, রুমী সরদার ও তার স্ত্রী তারা বেগম ওরফে তারা বানু। এদের হাতধরেই এলাকায় মাদকের বিস্তার লাভ করে। ইতি পুর্বে তারা বানু বেশ কয়েকটি মাদক মামলায় জেল হাজতে রয়েছিল। সাজাও হয়েছিল ১৪ বছরের। কিন্ত আইনের ফাক-ফোকোর দিয়ে জামিনে বেল হয়ে পুনরায় গাজাঁ, হিরোইন ও ইয়াবা ব্যাবসায় জড়িয়ে পরেন তারা বানু। মোংলা, রামপালসহ বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা রয়েছে। অনেক আগেই আদালত থেকে মোংলা থানায় তিন তিনটি ওয়ারেন্ট আসছে তারা বানুর বিরুদ্ধে। সুচতুর তারা বানু, তার পোষাক ও ভ্যাস-ভুসা পরিবর্তন করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাদকের চালান নিয়ে আসা-যাওয়া করে। যার কারনে তাকে সহজেই গ্রেফতার করা পুলিশের কাছে কষ্টকর হয়ে পরেছিল। মাদকের চালান নিয়ে মোংলায় প্রবেশ করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরীর পরিচালনায় পুলিশের কয়েকটি দল মহিলা সদস্যদের নিয়ে ছদ্দ ভেশে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালায় পুলিশ। গত তিন দিন ধরে দিন-রাত ওৎ পেতে বসেছিল পুলিশ তারা বানুকে গ্রেফতারের জন্য। শনিবার রাতে হঠাৎ কুমারখালী তার বাসার পাশ দিয়ে এক ভদ্র মহিলা চলে যাচ্ছে দেখে পুলিশের সন্তেহ হয়। এসময় তার নাম পরিচয় জানতে চাইলে পুলিশ দেখে দৌড়ে পালানোর সময় ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তারা বানু পুলিশের হাতে আটকরে খবরে মোংলা পৌর শহর সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পুলিশকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছে অনেকে। মাদক সম্ম্রাট গ্রেফতার হওয়ায় সাধারন মানুষের মাছে স্বস্তি ফিরেছে। তবে মাদকের বড় একটি চালান নিয়ে মোংলায় প্রবেশ করেছে এমন খবর পুলিশের কাছে রয়েছ্,ে সেই ইয়াবা ও গাজঁার বড় চালানটিঁ কোথায় কার কাছে রেখেছে এবং কারা এর সাথে জড়িত এমন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার তারা বানুকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে বলেও জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা।