ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (২৩)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

দিতে, আমাকে নিয়ে ঢাকাতে থাকতে হবে, এটা আমার বাবা ও মাযের ইচ্ছা, তুমি তোমার ভাই ও ভাবিকে ছেড়ে আমাকে নিয়ে আলাদা হয়ে ঢাকাতে থাকতে পারবে তো? যদি না পারো তাহলে তোমার আর আমার বিয়েটা হচ্ছেনা আমাকে ভুলে যাও, আমাদের মাঝে যা কিছু হয়েছে সেটাকে স্নপ্ন ভেবে ভুলে যেতে হবে,বাবা আমাকে দশলক্ষ টাকা দিয়ে বললো এটা নাও গুলশানে একটা ফ্লাট কিনে নাও,ওটার দাম চল্লিশ লক্ষ টাকা, বাড়িটা জামাইয়ের নামে কিনবে, এখন আমার কাছে টাকা নাই, তাই দুই মাস পর বাকি ত্রিশলক্ষ টাকা আমি জামাইকে দিয়ে দেব, এখন বাকি টাকাটা জামাইকে দিতে বলেছে,আমার সব কথা তোমাকে বললাম তুমি কি করবে ভাই ভাবিকে ছাড়বে নাকি আমাকে বিয়ে করে নিজের প্লাটে উঠবে? বিষয়টা তোমার নিজের উপর ছেড়ে দিলাম জীবনটা যেমন তোমার নিজের সিদ্ধান্ত্য টাও তোমার নিজের,বলো এখন কি করবে?” “কিন্তু এতো টাকা আমি কোথায় পাবো? আমার সব সম্পতি বিক্রি করলেও চল্লিশ লক্ষ টাকা হবেনা দেখ রমিজ, বাবাতো জানেনা যে তুমি গরীব, আমি ভাল বেসেছি তোমাকে (কান্নার সুরে) তোমাকে ছাড়া আমি বাচবোনা তুমি যে কোন ভাবে টাকার ব্যবস্থ্যা কর।দেখি বাড়ি গিয়ে কোন ব্যবস্থা করা যায় কিনা”(কামনার ভঙ্গিতে)”যাক ও সব কথা এখন ড্রিংস নাও আর জীবন ও যৌবন টাকে ভোগ করি বিয়ের পর কেমন যেন এক ঘেয়েমি লাগে তাই বিয়ের আগেই একটু আনন্দ ফুর্তি করি” এই কথা বলে রূবি রমিজকে নিয়ে রুমে গিয়ে কপট বন্ধ করলো,
এর পর যা হবার তাই হলো।

চলবে- – – –