ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (১৯)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

করে ফোন দিয়ে যোগাযোগ রাখে এবং ভাল মন্দের খোঁজ খবর রাখে যাতে রমিজ ভেঙে না পড়ে, একদিন ঠিক সকাল ৯টায় সময় রমিজ স্নান করার জন্য পুকুর ঘাটে গ্যাছে এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো,কয়েক বার বেজে যাওয়ার পর পাশের কক্ষ থেকে তার ভাবি ফোনটা হাতে করতেই রূবির নামটি ফেনের পর্দায় ভেষে এলো, ভাবি ফোনটা রিসিভ করতেই ওপ্রান্ত থেকে বললো “কি করছিলে এতোক্ষন? কখন থেকে ফোন দিয়েই যাচ্ছি রিসিভ করছো না
শোন, আজ সন্ধ্যায় চলে এসো তোমার পুরা টাকা সুদসহ নিয়ে যাও,আর তোমার সাথে অনেক জরুরী কথা আছে যেটা শুনলে তোমার মাথাটা ঘুরে পিছন দিকে চলে যাবে, আর তুমি আনন্দে নাচতে থাকবে,কি ব্যাপার তুমি আমার কথা শুনেই যাচ্ছো কিছু বলছো নাযে? কি হলো কিছুতো বলো?” ভাবি সংযোগটা বিছিন্ন
করে দিয়ে ফোনটা রেখে দিল,
ফোনটা রাখার সাথে-সাথে ঘরে প্রবেশ করলো রমিজ “কি ব্যাপার ভাবি তুমি আমার ঘরে?” “তোমার একটা ফোনটা এসেছিল অনেক সময় ধরে রূবি নামের কোন একটি মেয়ে ফোন করেছিল” “তুমি কথা বলেছো তার সাথে?” “আমি কথা বলিনি তবে সে বলেছে” “কি বললো ভাবি?” “বললো সুদ সহ টাকাটা আজই ফিরিয়ে দেবে তার জন্য আজই তোমাকে একবার যেতে বললো, (রসিকতা করে) “তা রমিজ ভাই, এমন কি সোনার খনি পেলে গেলে, যে আসল ও দেবে আবার সুদ ও দেবে তা ভাই আমাকেও একটু ভাগ দেবে তো? নাকি একাই নিয়ে নেবে?” “কিযে বলো ভাবি সে আমার বন্ধু” “বন্ধু নাকি বান্ধবি?” “হোল একই কথা”
চলবে- – –