ছলোনাময়ী নারী :কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (১৮)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

রমিজ বাড়িতে এসে বিছানায় শরীর
টাকে এলিয়ে দিয়ে রূবির সমস্ত খুটুনাটি তার হৃদয়পট ছুয়ে যাচ্ছে কে এই রূবি! একটা অজানা অচেনা ছেলের সাথে শুধুমাত্র কিছুদিন ফোনে আলাপ, জীবনে কোনদিন তাকে দেখেনি পর্যন্ত অথচ প্রথম দেখাতেই একটা মেয়ে তার জীবনের সব থেকে দামী নারীর সতীত্ব নির্দিধায় দান করে দিল, এমনভাবে যারা নিজ ইচ্ছায় সতীত্ব দান করে তাকে বলা হয় বেশ্যা,কিন্তু তাকে দেখেতো বেশ্যা মনে হয় না, তাকে দেখার মাত্র দু’মিনিটের মধ্যেই নিজ ইচ্ছায় দেহদান করতে পারে এমনটাতো শুধুমাত্র বেশ্যাদের পক্ষেই সম্ভব, যতই হোক সে আমাকে ভালবাসে কিন্তু এমনটা দেখা তো দূরে থাক জীবনে কেউ শুনেছে কিনা সেটা ও তার জানা নেই, তাহলে কি সে কোন ছলনাময়ী নারীর খপ্পরে পড়লো? তাছাড়া একলক্ষ টাকার প্রতিমাসের সুদ কিভাবে সে পরিশোধ করবে? কিন্তু তার ব্যবহারে ছলনার কোন প্রকার প্রমান পাওয়া যায়নি,নাকি নারী জাতির ষোল কলার এক কলায় সে আটকে গেল,উফ্ সব যেন গুলিয়ে যাচ্ছে,তবে এইটুকু বলতে পারি যে, সে যদি ছলনা করে তাহলে আমি পথের ভিকারী হয়ে যাব, আর যদি না করে তাহলে আমি কোটিপতি, তাতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই, দেখা যাক এই নাটকে যবনিকা কোথায় গিয়ে দাড়ায়,কিন্তু কিছুতেই রূবির কথা মন থেকে ভুলতে পারছেনা,সয়নে স্বপনে জাগরণে সব সময় রূবি ছাড়া অন্য কিছু সে ভাবতেও পারছেনা, এরই মাঝে কখন জানি ১৫টি দিন কেটে গেল, প্রতিদিন কমপক্ষে রূবি দিনে দু’বার

চলবে- – –