ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (১৭)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

দোষ নেই, “তাছাড়া সামান্য একলক্ষ টাকার কথা তুমি ভাবছো? আমাদের বিয়ের পর ঢাকা ও যশোরের বাড়ি তোমার এবং আমার হয়ে যাবে, অবশ্য যতদিন বাবা-মা বেচে আছেন, তারপর মালিক তো আমরা নাকি?” “হ্যা, তা অবশ্য ঠিক” “তবে কোন চিন্তা নয় এসো ইনজয় করি জীবনটাকে উপভোগ করি নাও ড্রিস্ করো”( রমিজকে বেশ কয়েক পেক কড়া ডোজে মদ খাইয়ে দিল) নেশাটা বেশ জমে উঠেছে,রমিজের সমস্ত পোশাক আস্তে-আস্তে রূবি খুলে ফেললো, শুরু হলো যৌনতার উনমাদনার খেলা, রাত কখন যেন ফুরিয়ে গ্যাছে রমিজ তা উপলব্ধি করতে পারেনি, ভোরের দিকে ক্লান্ত শরীরটা কখন জানি দু’চোখের পাতা এক হয়ে গেছে কেউ তা বুঝতে পারেনি, রমিজের যখন ঘুম ভাংলো তখন বেলা প্রায় ১১টা বেজে গ্যাছে, তাড়াতাড়ি বিছানা ত্যাগ করে দেখতে পেল রূবি বিছানায় নেই, বাথরুমে ঢুকতেই রূবি স্নান শেষ করে বেরিয়ে আসছে “তুমি স্নান শেষ করে নাস্তার টেবিলে এসো আমি নাস্তা রেডি করছি” রমিজ খুব দ্রুত গতিতে স্নান শেষ করে দু’জনে নাস্তা শেষ করে বেরিয়ে পড়লো রমিজ বাড়ির উদ্দ্যেশে এবং রূবি ঢাকার উদ্দ্যেশে, “রমিজ তুমি বাড়িতে গিয়ে ফোন দিও,আর বাবা দেশে ফিরলেই আমাদের বিয়ের দিন পাঁকা করবো, কথাটা যেন মনে থাকে অন্য নারীকে পেয়ে আমাকে আবার ভুলে যাবে নাতো?” “কি যে বলো তুমি!” “ঠিক আছে তাহলে ঐ কথাই রইলো,সাবধানে যেও” দু’জন দু’দিকে চললো নিজ নিজ গন্তব্যে, রূবি পিছে ফিরে মুচকি হেসে গাড়িতে চেপে বসলো, রমিজ দ্রুত একটা রিক্সা নিয়ে চললো নিজের আলয়,দেখা যাক কি হয় শেষ পরিনতি,
চলবে- – – –