ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (১৪)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

না, সে কি বাবা তুমি এখনও কিছু মুখে তোলনি খাও বাবা খাও, ধর্মে আছে সুদখোরের বাড়ি খাবার খাওয়া আর বিষ্টা খাওয়া একই কথা তাই সে নানা অজুহাতে না খাওয়া ফন্দি আটছে “চাচা আমি এখনও দাঁত ব্রাশ করেনি, আর দাঁত ব্রাশ না করে আমি মুখে কিছু তুলিনা,আপনি কিছু মনে করবেন না,এখন কাজের কথায় আসি” “ঠিক আছে তোমার যা ইচ্ছা,বলো বাবা কি বলতে এসেছো?” “আপনি আমাকে একলক্ষ লাখ টাকাদেন যে ভাবে হোক প্রতি মাসে সুদের দশ হাজার টাকা আমি পরিশোধ করবো” (মহাজন টেবিলের ড্রয়ার থেকে একটি কাগজ বের করে) “নাও এখানে একটা সহি কর রমিজ শিক্ষিত ছেলে, কাগজটি হাতে নিয়ে মনযোগ সহকারে পড়ে সহি সম্পন্ন করলো “তুমি একটু বসো আমি ভিতর থেকে টাকা নিয়ে আসছি” মহাজন ভিতর থেকে টাকাটা নিয়ে এসে মরিজের হাতে দিয়ে বললো “নাও বাবা টাকাটা বুঝে নাও, রমিজ টাকাগুলি গুনে নিয়ে” মহাজনকে সালাম দিয়ে বিদায় নিল। মহাজনের বাড়ি থেকে একটু দূরে দাড়িয়ে পকেট থেকে ফোনটা হাতে নিয়ে রূবিকে ফোন দিল “কখন আসবো টাকা রেডি হয়ে গেছে” সন্ধ্যায় এসো জমিয়ে গল্প করা যাবে, আর রাতে তোমাকে আদরে-আদরে ভরিয়ে দেব” “ঠিক আছে তোমার যা মর্জি এখন রাখছি” তাড়াতাড়ি ফোনটা কেটে দিয়ে দ্রুত হেটে চললো বাড়ির পানে, বাড়িতে প্রবেশ করতেই সামনে দাড়ানো ভাবি, রমিজভাই এতো সকালে তুমি কোথায় গিয়েছিলে? এতো বেলা হয়ে গেল নাস্তা করলে না, না ভাবি তেমন কিছু না,একটু

চলবে- – –