কুয়াদা হইতে সিরাজসিঙ্গা ইউনুচ মােড় পর্যন্ত রাস্তাটি বেহাল অবস্তা দেখার কেউ নেই

নাসির উদ্দিন নয়ন কুয়াদা:যশাের সদর উপজেলা রামনগর ইউনিয়নের কুয়াদা হইতে সিরাজসিঙ্গা ইউনুচ মােড় পর্যন্ত সাড়াপােলের রাস্তাটি খানা ঘর্তে পরিণত । চলাচলের জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সরজমিনে দেখা যায় প্রতিদিন সকাল হতে রাত ১০-১১ টা পর্যন্ত
এই রাস্তায় প্রায় হাজার হাজার লােকের চলাচলের জনদূর্ভোগে পড়ছেন। গরীব ভ্যান চালক থেকে শুরু করে এলাকারগন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের কাছে জানতে চাইলে বলেন একটি ডেলিভারি রােগি যদি এই রাস্তায় ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আমাদের মনে হয় রাস্তার উপরেই ঝাকি খেয়ে মারা যেতে পারে। ভ্যান চালকরা আরও বলেন এমন কোনদিন নাই যে দুই একটি ভ্যানের চাকা ভেঙ্গে ও নাট বলটু খুলে পড়ে যায় । সত্যতা বলতে গেলে এই রাস্তার জনদুর্ভোগদেখার কেউ নেই। এলাকা বাসী বলেন ৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের সময় এই রাস্তাটির নাম হয় কেন্ট্রমেন্ট রােড। ৭১সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি পাক সেনাদের উপর আক্রমন করার জন্য মুক্তি বাহিনীসহ ভারতীয় সন্যরা এই
পথেই রাজারহাট পৌছায়ে পাকিস্থানি সন্যদের উপর হামলা চালিয়ে জয় লাভ করেন। এই এলাকার ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মেহের বিশ্বাস ও ০৮ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সেক্রেটারী বিমল দাস, রামনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক
যুগ্ন আহব্বায়ক মিজানুর রহমান, যুবলীগ নেতা বরাত হোসেন, বাবুল আক্তার সহ আরও অনেকের কাছে জানতে চাইলে বলেন, বিগত ১১দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যশোর সদর ০৩ আসনের এমপি কাজী নাবিল আহম্মেদ সাহেব সরজমিনে এলাকার বিভিন্ন স্থানে এসে সাধারণ জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন আমাকে এমপি হিসাবে জয়যুক্ত করিলে নির্বাচনের পরে আমি রামনগর ইউনিয়নে জনগণের দূর্ভোগের পাশে থাকব। এলাকাবাসি বলছেন ভােটে নির্বাচিত হওয়ার পরে আজও পর্যন্ত রামনগর ইউনিয়নে এমপি কাজী নাবিল আহম্মেদ কে জনসম্মুখ্যে দেখা যাইনি। সিরাজসিঙ্গাএলাকাবাসীসহ এই এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি এই রাস্তার দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন ।