ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (১৩)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

আবার যদি জমি বিক্রি করে তাহলে এতো সস্তায় আমি সাড়ে দশ বিঘা জমি আমি কিনত পারবো,অন্যদিকে যদি সুদ হিসাবে টাকা নেয় তাহলে প্রতিলাখে দশহাজার টাকা আমার আয় বাড়বে,যেটাই হোক আমার লাভ ছাড়া লোকশান নেই,রমিজ বাড়িতে প্রবেশ করতেই “এসো বাবা রমিজ এসো তোমার অপেক্ষায় ছিলাম বসো” রমিজ চেয়ার বসে “বাবা রমিজ কিছু মনে করনা আমি একটি ভিতর থেকে আসছি” “জী চাচা ঠিক আছে, মহাজন বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে সাথে-সাথে পুনরায় ফিরে এলো,চেয়ারে বসতে-বসতে বললো “তা বাবা কি ঠিক করলে?” “হ্যা চাচা সেটাই বলার জন্য এসেছি” এরমাঝে মহাজন কন্যা হাতে হরেক রকম পিঠা মিষ্টির আয়োজন করা হয়েছে যা কিনা রমিজ একমাসেও খেয়ে শেষ করতে পারবেনা, “নাও বাবা একটু কিছু মুখে দাও” যে মহাজন জীবনে কোনদিন টাকা খরচের ভয়ে এককাপ চা কিনে খায়নি সুদের চার আনা পয়সা কাউকে ছাড় দেয়নি সেকিনা আমাকে হাজার টাকা খরচ করে এতো সব আয়োজন করেছে, বিষয়টা ভাবতে রমিজের একটু অসুবিধা হচ্ছে, মহাজন কন্যা সব খাবার থরে-থরে সাজিয়ে দিয়েছে, দেখতে কালো রং হলেও সুঠাম দেহের অধিকারী, যৌবনের আভা যেন ফুটে উঁকি দিচ্ছে, শরীরে সোনা দিয়ে মোড়ানো, শহরের বিলাসিত জীবন যাপন করা নারীদের মত করে মেকাপের রং লাগানো, সে রমিজের পানে আড় চোখে তাকিয়ে মুখে মুচকি হেসে বাড়ির ভিতর চলে গেল। “চাচা উনি কি আপনার মেয়ে?” ‘হ্যা বাবা তুমি তো এদিকে আসনা তাই চিনতে পারছো

চলবে- – –