ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (১২)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

দশহাজার টাকা দেয়ার কোন উপায় তার নেই, আবার জমি বিক্রি করলে
নিজের ভবিষ্যৎ শেষ,অন্য দিকে তার মেয়েকে বিয়ে করলে নিজের ভবিষ্যৎ উজ্জল,তাহলে রূবির কি হবে? রূবিকে বিয়ে করলে সে রাতা রাতি কোটিপতি হবে, জীবনে কোন কিছু করতে হবেনা,জীবনের স্বপ্ন সাধ পূরণ হতে বাকি থাকবে না, তার রূপ বোম্বে সিনেমার যে কোন নায়িকায় চেয়ে কম কিসে? একদিকে গাড়ি বাড়ি ব্যাংক ব্যালেঞ্চ এবং সুন্দরী নায়িকা জয়, অন্যদিকে মান সম্মান সবটা যাকে বলে এক ঢিলে দুই পাখি অর্থাৎ যাকে বলে সোনায় সোহাগা, এমন সুযোগ জীবনে হাত ছাড়া করলে আর ফিরে পাওয়া বোধ হয় যাবেনা, এদিকে ভাই ভাবি জানতে পারলে সব ভন্ডুল হয়ে যাবে,তাই ভাই ও ভাবিকে কোন প্রকার জানানো যাবে না,সারারাত মনের সাথে যুদ্ধ করে শেষমেষ সিদ্ধান্ত নিল যে, সে সুদে করে টাকা নিয়ে রূবির মায়ের চিকিৎসা করাবে, জীবনে বড় কিছু পেতে হলে ছোট্ট একটা রিক্সতো তাকে নিতেই হবে,রূবি সে রাতে তাকে যা দিয়েছে সে তাকে কিভাবে এড়িয়ে যাবে,যে মেয়ে অচেনা একজন পূরুষ কে নিজে ভালবেসে নির্দিধায় তার সতীত্বকে সমর্পন করতে পারে, সে নিশ্চয় প্রতারণা করতে পারে না, যাহোক পরদিন সকালে বিছানা ত্যাগ করে চল্লো মহাজনের বাড়ির উদ্দ্যেশে, মহাজন দূর থেকে রমিজকে আসতে দেখে আনন্দে আটখানা হয়ে পলকহীন চোখে তাকিয়ে রইলো,মনে-মনে ভাবছে যদি আমার মেয়েকে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তাহলে ধনে-জনে প্রভাব পতিপত্তিতে আমার সমান আর কেউ এই গ্রামে থাকবেনা,

চলবে- – –