ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

পর্ব (০৮)
ছলোনাময়ী নারী
কাঞ্চন চক্রবর্তী

করে দু’টি হাত রমিজের কাঁধের উপর রেখে রমিজের মুখে কিচ করতে লাগলে অনাব্রত এবং বুকের সাথে বুক মিলিয়ে নিজেকে লেপ্টে ধরলো রূবি,রমিজের কেমন যেন শরীরের রক্ত টগবগ করে ফুটতে লাগলো রমিজ নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না, ভাসিয়ে দিল রূবির যৌবন স্রোতে,বুঝিনা একটা নারী অনায়াসে তার সব কিছু নিজ ইচ্ছায় বিলিয়ে দেয় তাও আবার সতীত্ব, নারীজাতি ষোলকলায় পরিপূর্ণ,কি জানি হয়তো কোন কলায় সে কি বুঝেছে,রুবি ও রমিজ রাতের প্রতিটা ক্ষণকে ব্যবহার করলো সদ্যফোটা ফুলের কলি এবং মাতাল ভ্রমর যতক্ষন ফুলে মধু থাকে ততক্ষন ভ্রমর যেন ফুলের কলির মাঝে নিজেকে বিলিন করে দেয় এটাই বাস্তবতার রীতি।পূর্ব গগনে ঊষা উঁকি দিয়েছে অনেক আগেই, “রমিজ উঠো অনেক বেলা হয়ে গেছে বাড়ি যাবে না? ” “ও হ্যা তাইতো অনেক বেলা হয়ে গেছে,” ‘তুমি গোসল সেরে এসো টেবিলে নাস্তা রেডি করা হয়েছে তাড়াতাড়ি, ” আমি এক্ষুনি আসছি “।রমিজ বাড়ি যাবার উদ্দ্যেশে একে বারে পোশাক পরে এসেছে যাতে দেরি না হয় নাস্তা করেই বেরিয়ে পড়তে পারে, রমিজ নাস্তার টেবিলে বসে সবে মাত্র খাওয়া শুরু করেছে ঠিক এমন সময়ে রূবির ফোনে একটি ফোন এলো,ফোন রিসিভ করেই সে হাউমাউ করে কান্নার রোল তুলে দিল, রমিজ খাওয়া বন্ধ রেখে সমস্যা টা কি তা জানতে চেষ্টা করতে লাগলো রূবি নিজেকে সামলে নিয়ে কাঁদতে-কাঁদতে বললো, “তোমার সাথে আমার এই প্রথম দেখা হলো কি করে বলি আমার এতো বড় সমস্যার কথা তাছাড়া আমার দুর্বল

চলবে- – –