ছলোনাময়ী নারী : কাঞ্চন চক্রবর্তী

ছলোনাময়ী নারী  (পর্ব ০৫)কাঞ্চন চক্রবর্তী

হবে তুমি আমাকে পাঁচ’শ টাকা দেবে কোন অজুহাত দিবে না,আর ভাইকে বুঝিয়ে বলবে, আমার লক্ষী ভাবি,সে না হয় দিলাম কিন্তু বাড়িতে কখন আসবি?সকালেই চলে আসবো, ভাবি (আলমারীর ড্রয়ার থেকে টাকা এনে) ঠিক আছে এইনে পাঁচ’শ টাকা ঠিক সময়ে বাড়িতে আশা চাই, ওকে ভাবি তাই হবে, ভাবির সন্তান না থাকায় দেবরকে সে নিজের সন্তানের মতই ভাল বাসে, মাত্র ছয় মাসের মধ্যে রূবির সাথে প্রেমেটা যেন গাঢ় হয়ে গেছে তাকে এক পলক দেখার বাসনা তার মনের মাঝে অনেক দিন যাবৎ আকুলি বিকুলি করছিল,কিন্তু রূবির বাড়ি সুদূর ঢাকা শহরে আর রমিজের বাড়ি যশোর অঞ্চলে হওয়ার কারণে একে অপরের সাথে বাক্যলাপ শুধু ফোনের মাধ্যমে সিমাবদ্ধ, একে অপরকে কেউ কোনদিন দেখেনি পর্যন্ত, আজ তার মনের মানুষের সাথে দেখা হবে নির্জনে প্রেমালাপ, আরো কত কিছু, যেন আর তর সইছে না, দুপুরের খাবার খেয়ে তাড়াতাড়ি জামা প্যান্ট পরে বেরিরে পড়লো। যশোর শহরে জীবনে দু’একবার সে গিয়েছে তবে কোন বাড়িতে নয়, কাহার ও সাথে কোন পরিচয় নেই তাই কিছুটা সময় হাতে নিয়ে যেতে হবে, রেল রোডে গিয়ে অনেক খোঁজা খুঁজি করার পর পেয়ে গেল কাঙ্খিত সেই ৭৬নং বাড়ি, কিন্তু কিভাবে সেই বাড়িতে প্রবেশ করবে? সদর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে দারোয়ান,সামনে গিয়ে দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করলো আচ্ছা এটা কি ৭৬ নং বাড়ি? হ্যা কিন্তু কাকে চাই?রূবি ম্যাডামকে, উনি আমাকে আসতে বলেছিল, আপনার নাম? ইতোস্থ কণ্ঠে বললো রমিজ মানে আমি রমিজ আলী ও হ্যা ভিতরে যান,

চলবে—-