অনুভূতির কবি : জোবায়ের হোসেন

অনুভূতির কবি
জোবায়ের হোসেন

অনেক দিন পর তোমাকে ভেবে একটা কবিতা লিখলাম,
লিখলাম মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা কিছু কথা।
অনেক দিন ধরে ভাবছি কিছু লিখবো তোমাকে ভেবে,
মনের অনুভূতি গুলো প্রকাশ করবো কবিতার পাতায়।
আমি লিখবো সেই কথা,
যে কথা গুলো আমার আকাশের মেঘ গুলোকে এক সাথে নিয়ে বর্ষণ করে দিয়েছে।
যেই কথা শুনে আমার আকাশ কেঁদেছে,
কেঁদেছে রাতের ধ্রুবতারা,
যে কথা গুলো শুনে পাহাড় ঝর্ণা ঝরিয়েছে নিজের বুক চিরে।
আমি লিখবো সেই কথা,
যেই কথাটা বারবার লিখে রাখতাম গাছের বাকলে,
যে কথাটা তুমি অবজ্ঞা করে ভাসিয়ে দিতে শত অবহেলার ভীড়ে ,
যেই কথাটা লিখে কাগজের নৌকা ভাসাতাম পদ্মদিঘির জ্বলে।
যেই কথার সাড়া দিতে গাছে গাছে ফুটে উঠত ফুল,
ছন্দের তালে গাইত পাখির কাকলী।
কিন্তু সেই কথাটা শোনার জন্য তুমি একটু সময় পাওনি,
যেই কথা গুলো শোনার জন্য
ব্যাকুল হয়ে থাকত আমার আকাশ,
কষ্টের তীব্রতার মাঝে কালো কষ্টের রং গুলো সরিয়ে এক চিলতে রোদ উঁকি দিত আমার আকাশে।
আমি আবার লিখবো সেই কথা,
বলবনা তুমি আমাকে আবার স্বপ্ন দেখিয়েছ,
বলবনা তুমি আমাকে নতুন জীবন দিয়েছ।
কিন্তু খারাপ লাগার এই সময়টাতে আবার লিখছি
তোমায় ভেবেই কবিতা লিখছি।
কারন তুমি আমাকে কবি বানিয়েছো,
তুমি আমাকে একটু ভাললাগার অনুভূতি এনেদিয়েছো।
তাই আমি তোমার অনুভূতির কবি ।