শার্শার পুটখালী গ্রামে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় গরু রাখাল আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী গ্রামে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় আব্দুল্লা (৪০) নামের এক গরু রাখাল গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত আব্দুল্লা পুটখালী গ্রামের মৃত নুর ইসলামের পুত্র ও পেশায় দিন মজুর।ঘটনার বর্ননায় ভূক্তভোগী আব্দুল্লাহ বলেন,সোমবার সকাল ১০.৩০ মিনিটের দিকে তিনি পুটখালী বাজারের চার রাস্তার মোড়ে মুক্তারের চায়ের দোকানের সামনে পৌছালে ১০/১২জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাকে ধরে নিয়ে পাশ্ববর্তী বাসভবনের পাচিলের মধ্যে নিয়ে যায়। পুটখালী গ্রামের মোরশেদের পুত্র শিমুল ও পুটখালী গ্রামের হেলার জামাই রাজ্জাক তাকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেই। হামলার কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন ঘেনা বিশ্বাস আমার আতœীয় হওয়ায় বর্তমান পুটখালী খাটাল ও ঘাট নিয়ন্ত্রনকারী নাসিরের লোকজন আমি বাজারে আসায় আমার উপর (তোর ঘেনা বাপ কে ডাক বলে) হামলা চালায়। সাম্প্রতি পুটখালী ঘাট নিয়ন্ত্রন করা নিয়ে সাবেক ঘাট নিয়ন্ত্রনকারী ঘেনা বিশ্বাসের সাথে বর্তমান ঘাট মালিক নাসিরের বিরোধের জের ধরেই তার উপর সন্ত্রসী হামলা চালানো হয়েছে বলে হামলার স্বীকার ভূক্তভোগী আব্দুল্লার দাবী। হামলার স্বীকার আব্দুল্লা পুটখালী বাজারের ডাঃ রহমানের কাছে চিকিৎসা নিয়ে পুনরায় সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় ভয়ে বাসায় অবস্থান করছে। সন্ত্রাসীদের তান্ডবে আব্দুল্লা সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাইতে প্রশাসনের দারস্ত হতে পারছেনা।স্থানীয় শাহাজান বিশ্বাস সহ গ্রামের একাধিক ব্যাক্তি ঐ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেন।এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার সাব ইন্সেপেক্টর জাকির হোসেন আব্দুল্লা হামলায় আহত হওয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন মারামারির ঘটনা শুনে পুটখালী গ্রামের ঘটনাস্থলে পৌছে কাউকে না পেয়ে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে আব্দুল্লার বাড়িতে যায়। সে জানাই শিমুল ও রাজ্জাক তাকে মেরে জখম করেছে।কারন জানতে চাইলে সে বলে কি কারনে মারলো আমি নিজেই জানিনা।গত কাল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পুটখালী গ্রামের বাওড়ের ধারে সন্ত্রাসীরা ২টি বোমার বিষ্ফোরন ঘটিয়েছে বলে গ্রামবাসী সুত্রে আরো জানা গেছে। সন্ত্রাসী হামলার পর দুফর ২টার সময় বেনাপোল পোর্ট থানার ২জন অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন সহ ভূক্তভোগী আব্দুল্লার বক্তব্য শুনেছেন বলে নিশ্চিত করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। সন্ত্রাসী হামলা বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনী স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। পুটখালী গ্রামে থমে থমে অবস্থা বিরাজমান ও গ্রামবাসী আতঙ্কে রয়েছেন। গ্রামবাসীর দাবী আধিপত্য বিস্তারের জেরে যে কোন মূহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্স বাধতে পারে।