যশোরের ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ প্যাথলজিতে ট্রেষ্ট করে বিপাকে একটি পরিবার

ঝিকরগাছা (যশোর) অফিস : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসদরের কপোতাক্ষ প্যাথলজিতে জ্বরের ট্রেষ্ট করে বিপাকে একটি পরিবার।
অসহায় পরিবারের সদস্য বিশ্বজিৎ দত্ত জানান, আমি কৃষ্ণনগর গ্রামের একজন বাসিন্দা। আমার মেয়ে ঐর্শ্বয দত্ত (৭) এর প্রসাবে জ্বালা পোড়ার কারণে শরীরে জ্বর হয়। তাৎক্ষনিক তিনি (বাবা) তাকে ঝিকরগাছার একজন শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি (বিশেষজ্ঞ ডাক্তার) তাকে একটি ট্রেষ্টের জন্য বলেন। তখন বাবা বিশ্বজিৎ দত্ত মেয়েকে নিয়ে জ্বরের ট্রেষ্টের জন্য অফেল উদ্দীন মার্কেটের অবস্থিত কপোতাক্ষ প্যাথলজিতে যান। তখন ট্রেষ্টের রির্পোট ফিস বাবদ ১হাজার টাকা নিয়ে কপোতাক্ষ প্যাথলজির মালিক যশোর মেডিকেল কলেজের মেডিকেল টেকনোলজি মোঃ আব্দুর রশিদ স্বাক্ষরিত ট্রেষ্টের একটি কপিতে তিনি ঐর্শ্বয দত্তের টায়ফয়েড জ্বর হয়েছে বলে রির্পোট দেন গত ১৩ জুলাই। তখন ঐর্শ্বয দত্তের বাবা বিশ্বজিৎ দত্ত মেয়েকে পাগল হয়ে পরবর্তীতে ১৪ জুলাই মেয়েকে নিয়ে যশোরের শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান এবং সেখান থেকে আর একটি ট্রেষ্ট করেন। শিশু হাসপাতালের ট্রেষ্টে কোন টায়ফয়েড জ্বরের আলামত পাওয়া যায়নি বলে রির্পোট দেন। বর্তমানে ঝিকরগাছাতে কোন রোগের জন্য চিকিৎসা নিতে গেলে স্থানীয় ডাক্তাররা যে ট্রেষ্ট করতে দেন সেটা যদি কপোতাক্ষ প্যাথলজির ট্রেষ্টের মত রির্পোট বের হয় তাহলে উপজেলা ও পৌরসভার থাকা অসহায় মানুষের বেলায় কি হবে জানতে চেয়েছেন ঐর্শ্বয দত্তের বাবা বিশ্বজিৎ দত্ত। তিনি আরো দাবি জানিয়েছেন কপোতাক্ষ প্যাথলজির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের।
কপোতাক্ষ প্যাথলজির মালিক যশোর মেডিকেল কলেজের মেডিকেল টেকনোলজি মোঃ আব্দুর রশিদ জানান, ৫দিনের হের ফেরে ট্রেষ্টের ফলাফল পরিবর্তন হতে পারে। তখন সংবাদকর্মীরা ১দিনের বিষয়ের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি যশোরের আছি। বিকালে ঝিকরগাছাতে এসে আপনাকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবো। বিকালে বিস্তারিত না জানিয়ে স্তব্ধ হয়ে যান। তখন সন্ধ্যার পরে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি বাড়ি চলে এসেছি।
ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, এই বিষয়টি আপনার নিকট হতে আমি শুনলাম কিন্তু এই ঘটনার বিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ আসলে আমি তদন্ত পূর্বক অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।