শৈশব স্মৃতি : রুম্পা রায়

শৈশব স্মৃতি
রুম্পা রায়
তুমি যখন বলতে ওমা,বলতে গল্পকথা,
নিমেষেই সব রাগ-অভিমান,ঘুচতো মনের ব্যথা।

কৌতুহলের জাহাজ ছিলাম, ছিলাম উদাসীন,
প্রশ্নের ঝুলি খুলে বসে,কাটিয়ে দিতাম দিন।

তুমি যখন রাঁধতে ওমা, বুনতে আসন খানা,
জ্বালাতাম আমি তোমায় ভীষণ, করতে না গো মানা।

তুমি যখন স্কুলে যেতে,করতে তৈরি আমায়,
দুষ্টুমি করে তোমার আঁচল,টেনে দিতাম নামায়।

তুমি যখন বলতে বাবা, ওরে খুকি দাঁড়া,
আমি তখন এতোই পাঁজি, এক দৌঁড়েতেই পাড়া।

জন্মদিনে একটা জামায়,ভরতো না গো মন,
কেকের আকার বড়ো হলেই,জমতো খুশির ক্ষণ।

পূজোর জামা সেটা আবার, দিতে হবে দামী,
দামী জামা গায় না দিলে,কি করে হবো নামী?

কে বলেছে দামী জামায়,হয় সে নামী বড়ো?
নামী হতে চাও যদি মা,কল্য আগে গড়ো।

মেলায় নিয়ে ভিড়ের মাঝে, ধরতে হাত খানি,
হারিয়ে যদি যায় গো বাবার,ছোট্ট নয়ন মনি।

মায়ের আদর বাবার স্নেহ, সে-তো বেজায় ভারি,
সকল স্নেহের পরশ যায়,এ স্নেহের কাছে হারি।

রুম্পা রায়
বাজুয়া,খুলনা, বাংলাদেশ