পল্লী গ্রাম :জোবায়ের হোসেন

পল্লী গ্রাম
জোবায়ের হোসেন

পল্লী গাঁয়ের মায়া জড়ানো,
মায়ের মুখের হাসি।
মুক্ত বাতাসে প্রাণ জুড়ানো,
সুখ যে বড়ই খাঁটি।

আমার ছোট্ট পল্লী গাঁয়ের,
পথটি আঁকা বাঁকা।
খালবিল ঘেরা নদী তটে,
কৃষকের সুখ মাখা।

কৃষকের সুখ সোনালী ধানে,
পিঠ পুড়িয়ে রোদে।
ক্লান্তি মেটায় সবুজ ছায়ায়,
ছোট্ট কুঁড়ে ঘরে।

পল্লী গাঁয়ের সবুজ ছায়া,
বৃক্ষ রাশি রাশি।
নিরালায় বসে মধুর সুরে,
রাখাল বাজায় বাঁশি।

দিনের আলোয় রাখাল ছেলে,
গরু চড়ায় মাঠে।
ঝড় বাদলে গ্রাম ছাড়া ওই,
অচিন পুরের দেশে।

বর্ষা কালে নদীর কূূলে,
অথৈ জলের বুকে।
ডিঙি নায়ে পাল তুলে যায়।
মাঝিমাল্লার দলে।

দিনের আলোর কর্ম শেষে,
সরল মানুষ নীড়ে।
জোছনা রাতে গল্পের আসর,
বাড়ির উঠোন জুড়ে।

গাছে গাছে গায় পাখ পাখালী,
ভ্রমর ছন্দ তালে।
ফুলে ফলে করে মধু আহরণ,
মৌমাছিদের ঝাঁকে।

সরলতায় ভরা মানুষের মন,
সোনার চেয়েও খাঁটি।
একি অপরূপ মায়া জড়ানো,
পল্লী গাঁয়ের মাটি।