চীন উত্তেজিত মোদির লাদাখ সফরে

ভারত-চীন সীমান্ত ক্রমেই উত্তাল হয়ে উঠছে। আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধানের কথা বললেও পাল্টাপাল্টি যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন বাড়াচ্ছে দুই দেশই। ক্রমেই যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠছে লাদাখ।

আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধান করতে চায় মোদি সরকার। শুক্রবার সকালে হঠাৎ করেই আবার লাদাখ সফর করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জওয়ানদের মনোবল আরও চাঙ্গা করতে লাদাখ পৌঁছে যান মোদি।

ওদিকে, শুক্রবার জানা গেছে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এই বিষয়ে আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, জাপানকে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে ঠিক কী পরিস্থিতি তা জানিয়েছে।

লাদাখে মোদি পা রাখার পর থেকে একের পর এক বিবৃতি আসছে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে। কখনও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর দাবি। আবার কখনও হুমকি। কমিউনিস্ট সরকারের মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস-এর এডিটর-ইন-চিফ হু শিজিন মোদির লাদাখ সফর নিয়ে টুইট করেছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর এদিনের মোদির সফরকে রাজনৈতিক চমক বা স্টান্ট বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

এ সময় তিনি বলেছেন, ভুলেও যেন চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ধারে কাছে না আসে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আমি বুঝতে পারছি প্রধানমন্ত্রী মোদি সীমান্তে রাজনৈতিক চমক দেখিয়ে কড়া কড়া কথা বলা দরকার হয়ে পড়েছে। কিন্তু দয়া করে চুপি চুপি সীমান্তে ভারতীয় জওয়ানদের বলে দিন, যে চীনকে তোমরা চেন, সে কিন্তু ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিধর। পিএলএ’র সঙ্গে যেন তারা পাল্লা দিতে না যায় কেননা পিএলএ’র কাছে তারা কিছুই নয়।

সময়েরআলো