শিক্ষিত অশিক্ষিত : অধ্যাপক, আতিয়ার রহমান

শিক্ষিত অশিক্ষিত
অধ্যাপক, আতিয়ার রহমান

শিক্ষা শুধু প্রাতিষ্ঠানিকই নয়, সামাজিক ও হয়
শুধুমাত্র বইয়ের জ্ঞানে সার্টিফিকেট অর্জিত হয়।

প্রতিঠানে শেখানো হয় নির্ধারিত কিছু সিলেবাস
সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে শিক্ষার নির্জাস।

প্রাতিষ্ঠানিকের পাশাপাশি সমাজ শিক্ষা অর্জন
পূর্ণ শিক্ষা পেতে হলে,উভয় শিক্ষারই প্রয়োজন।

দুইটি শিক্ষা যার মধ্যে আছে,তিনি বড় শিক্ষিত
সামাজিক শিক্ষা না হলে, সে ব্যক্তি অশিক্ষিত।

ডিগ্রি অর্জন করেও যদি কেউ সুদ ও ঘুষ খায়
তার মত অশিক্ষিত লোক কোন সমাজেই নাই।

হিংসুটে, বদমেজাজি, বাটপার এবং মিথ্যাবাদী
নিজেকে শিক্ষিত হিসাবে করতে পারেনা দাবি।

পড়ালেখা না জেনেও সত্যবাদী, সদালাপী,শান্ত
মুর্খ সে হতে পারে ; কিন্তু সমাজে হবে শিক্ষিত।

সুদ খায়না,ঘুষ খায়না ও মানুষকে দেয়না কষ্ট
সার্টিফিকেট না থাকলেও সেতো শিক্ষিত স্পষ্ট।

সমাজের সকল বিভাগই বিদ্যান ব্যক্তির শাসনে
তারাই সমাজপতি হিসাবে,পরিচালকের আসনে।

সুদ, ঘুষ,দুর্নীতি ও মা বাপের কষ্ট দেওয়ার গুণ
অনেকের মধ্যেই আছে এসব, মনদিয়ে শুনুন।

আইন-আদালত,অফিসের কাজ মুর্খরা বুঝেনা
অনেক চালাকি বিদ্যান বুঝে, সুযোগ ছাড়েনা।

বিদ্যানের চেয়ে সংখ্যায় মুর্খরাই অনেক বেশী
মুর্খদের চেয়ে বিদ্যানেরা বেশী বেশী অর্থান্বেসী।

এনজিও,বেসরকারি বীমা বিদ্যান ব্যক্তি চালায়
অনেক লোকই লোভে পড়ে তারা সর্বশ্য হারায়।

সব এনজিওর-ই উদ্দেশ্য খারাপ না, সুখ খোজে
খেটে খাওয়া মানুষ এসব কিছুর, কেবা কী বুঝে?

সকল মানুষই মা বাবার জন্য করে বহু পরিশ্রম
অনেক বিদ্যানেরাই মা বাবাকে পাঠায় বৃদ্ধাশ্রম।

তাইতো বলি,’সকল শিক্ষিত লোকই বিদ্যান নয়’
এই সমাজে, ‘সকল বিদ্যান ব্যক্তিই শিক্ষিত নয়’।

মাগুরা সদর উপজেলা
নাকোল সম্মিলনী ডিগ্রি কলেজ