জনগণের অধিকারের প্রতি অন্যায় করছে ঔষধ প্রশাসন : জাফরুল্লাহ চৌধুরী

ঔষধ প্রশাসন গণস্বাস্থের কিটের নিবন্ধন করার অনুমতি না দিয়ে জনগণের অধিকারের প্রতি অন্যায় ও দেশের সঙ্গে শত্রুতা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এ ব্যাপারে সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। শনিবার ঔষধ প্রশাসন থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট নিবন্ধনের অনুমতি মেলেনি।

এদিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও শরীরে জ্বর আছে। কথা বলতে কষ্ট হয়। তার শরীরে নিয়মিত এন্টিবায়োটিক দিতে হচ্ছে।

রোজই ডা. চৌধুরী কিডনি ডাইলোসিস করছেন জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু বলেন, জাফরুল্লাহ’র শরীর দুর্বল। তবে অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে না। তার শরীরে করোনাভাইরাস ইনফেকশন নাই তবে নতুন ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। তাকে আরো বেশ কিছুদিন দিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক ও চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা জানান গণস্বাস্থের অধ্যাপক ডা: নাজিব মোহাম্মদ। তবে তিনি মানসিকভাবে অনেক ভালো আছেন।

মিন্টু বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তার প্রকাশিত ‘করোনা বিশ্ব পুঁজিবাদ ২০২০- ২১ বাংলাদেশ বাজেট’ এর খোঁজ-খবর নেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

পাশাপাশি গণস্বাস্থের স্থাপিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। করোনাভাইরাসের মহামারীতে অসহায় ভুক্তভোগীদের খোঁজ-খবর রাখারও চেষ্টা করছেন। সাম্প্রতিক বাজেট ও করোনা ভাইরাসের মহামারী হতে উত্তরণে করণীয় নিয়ে লেখালেখিতে হাসপাতালে ব্যস্ত সময় কাটে ডা. চৌধুরীর। তিনি দেশবাসীর কাছে দ্রুত আরোগ্য লাভে দোয়া চান।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বর্তমানে তার নিজের স্থাপিত প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে অধ্যাপক ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মামুন মোস্তাফি এবং অধ্যাপক ডা. নাজিব মোহাম্মদ এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন।