পহেলা বৈশাখ চোদ্দশ সাতাশ বঙ্গাব্দ : রেজাউল করিম রোমেল

পহেলা বৈশাখ চোদ্দশ সাতাশ বঙ্গাব্দ
রেজাউল করিম রোমেল

চারিদিকে শুধুই নীরবতা।
রমনার বটমূল, পৌর উদ্যান, পথ-ঘাট সবখানে।
হয়নি মঙ্গল শোভাযাত্রা, সকালের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।
দল বেঁধে খাওয়া হয়নি পান্তা ইলিশ।
লাল সাদা রঙে শাড়ি পাঞ্জাবিতে ঘুরতে দেখিনি
শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের।
শোনা হয়নি উন্মুক্ত মঞ্চে
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈশাখী গান
” এসো হে বৈশাখ এসো এসো। ”
আজ আল্পনা আঁকা হয়নি কোথাও।
বৈশাখী মেলা বসেনি কোথাও।
এবার খেয়ে দেখা হল না বাতাসা, মিষ্টি-মন্ডা আর জিলাপি।
এদিন ব্যান্ড ফিডব্যাকের জনপ্রিয় সেই গান
” মেলায় যাইরে ” গাওয়া হয়নি কোনো বৈশাখী কনসার্টে।
মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এবার পালিত হোলো না বাঙালীর রঙ্গীন পহেলা বৈশাখ।
এযেন রঙহীন পহেলা বৈশাখ চোদ্দশ সাতাশ বঙ্গাব্দ।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।
মৃত্যু বরণ করেছেন লাখ মানুষ।
এ রোগ হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায়।
আর তাই থাকতে হবে ঘরে,
বজায় রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব।
অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না।
বার বার ধুতে হবে হাত কমপক্ষে বিশ সেকেন্ড।
থাকতে হবে সচেতন করোনার বিরুদ্ধে।
এবার বাঙালীর প্রাণের বর্ষবরণ উৎসব রঙহীন।
প্রাণহীন বাংলার পহেলা বৈশাখ চোদ্দশ সাতাশ বঙ্গাব্দ।
চারিদিকে শুধুই নীরবতা।
রমনার বটোমূল, পৌর উদ্যান, পথ-ঘাট সবখানে।

চাঁচড়া (রায়পাড়া)
ইসমাঈল কলোনী,
যশোর, বাংলাদেশ