দুর্ভোগ উৎকন্ঠায় দিন কাটছে ভারতে আটকে পড়া ২৩০টির ও অধিক নৌযানের বাংলাদেশী নাবিক

মুজিবুল হক, চট্রগাম : একটি লাইটার ভেসেল ডুবিতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গড়ে ২৩০টির মতো বাংলাদেশী লাইটার ভেসেল। পশ্চিমবঙ্গের বজবজ থেকে ফ্লাই অ্যাঁশ বোঝাই এম,ভি প্রিয়াঙ্কা ০১ নামক বাংলাদেশী জাহাজটি স্বদেশে ফেরার পথে ২৫/০৫/২০২০ইং সকাল আনুমানিক ০৭’০০ ঘটিকায ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দক্ষিণ ২৪পরগনার নামখানা নামক থানায় এলাকায় চ্যানেলে ডুবে যায়, যার ফলে চ্যানেল বন্ধ হয়ে পড়ে, এতে করে ভারত-বাংলাদেশ নৌ-রুটে চলাচলকারী বাংলাদেশ অভিমুখে ছেড়ে আসা ৭০-৮০টি লোড লাইটার জাহাজ এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ১৫০-১৬০টি খালি বাংলাদেশী লাইটার জাহাজ নামখানা নামক এলাকায় আটকা পড়ে ।সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশী লাইটার ভেসেল এম,ভি মরিয়ম জুসি ০২ এর তৃতীয় শ্রেণীর ইনচার্জ ইঞ্জিন চালক এম এম জামশেদ হোসেন “নয়ন” (আলফাডাঙ্গা-ফরিদপুর) এর কাছে সেখানকার শেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে জামশেদ এসএমএস এর মাধ্যমে জানান টাইম ভিশনকে জানান, স্বদেশে ফিরতে আমাদের অপেক্ষার প্রহর কবে শেষ হবে জানিনা, বর্তমানে ডুবো জাহাজের বোঝাই পণ্য ফ্লাই অ্যাঁশ উঠানোর কাজ চলছে। জাহাজ উঠাতে আরো কিছুদিন সময় লেগে যাবে, তবে কতদিন লাগতে পারে তাহা শিউর করে বলা যাচ্ছেনা। সেটি কাজের উপর নির্ভরশীল, দেখছি উদ্ধার কাজের গতি কম, সেহেতু ধারণা করছি আরো বেশকিছু দিন এখানে থাকতে হবে। তাদের রেশন ব্যবস্থার কথা জানতে চাইলে বলেনঃ আমাদের খাদ্য সামগ্রী যাহা মজুদ ছিলো তাহা অনেক পূর্বেই শেষ, আমাদের এসমস্ত জাহাজে ফ্রিজিং ব্যবস্থা না থাকার কারনে আমরা একসাথে বেশি খাবার মজুদ রাখতে পারিনা, কারন বেশিদিন রাখলে তাহা নষ্ট হয়ে যায়, রেশন বাবদ এজেন্টদের কাছে টাকাপয়সা চাইলে উনারা দিবো দিচ্ছি বলে আবার দেখা যায ফোনও রিসিব হয়না, মাঝেমধ্যে যেই পরিমান টাকা দেন তাতে বাজারসদাইও সব করা সম্ভব হয়ে উঠেনা, আবার দেখা যায় বাজার করার জন্য কূলে উঠতে দিলেও মাঝেমধ্যে বাধা-প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। জনাব জামশেদ আরো বলেন দাদাভাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন এবং সবাইকে দোয়া করতে বলবেন আল্লাহ যেনো আমাদেরকে এই বিপদ থেকে তাড়াতাড়ি উদ্ধার করে, যাতে আমরা স্বদেশে পৌঁছেতে পারি, আমাদের প্রত্যেকেরই মা-বাবা ও ভাইবোন এবং স্ত্রী সন্তান চিন্তিত রয়েছেন।