সালমানকে পরিবার ছাড়তে বলেছিলেন ঐশ্বরিয়া

সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের প্রেমের খবরটি কে না জানে! এই জুটির রসায়ন তখনকার সময়ে বেশ চর্চিত বিষয় ছিল। এরপর যখন সম্পর্কটা ভেঙে গেল তখন সবাই খুব অবাক হলো।

সম্পর্ক ভাঙার পেছনে দাবাং অভিনেতার বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে প্রকাশ্যেই ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, ওই সম্পর্কটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন খবর। সালমান তার পরিবার না ছাড়াতেই নাকি তারা দু’জন আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন।

সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঐশ্বরিয়া রাই চাইতেন সালমানকে নিয়ে আলাদা থাকতে। কিন্তু সালমান তার পরিবার ছাড়তে কোনক্রমেই রাজি ছিলেন না।

ঐশ্বরিয়া প্রায়শই তাকে প্রভাবিত করতেন। প্রেমে পাগল অভিনেতা তখন ন্যায় এবং অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য করতে পারতেন না। অথচ এতদিন পর্যন্ত শোনা গেছে সালমানের আক্রমণাত্মক আচরণ তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরিয়েছিল।

প্রেমিক হিসেবে সালমান সন্দেহজনক হলেও পুরোদস্তুর ফ্যামিলি ম্যান হিসেবে বিশেষ খ্যাতি রয়েছে তার। পরিবারের প্রধান উপার্জণক্ষম ব্যক্তি তিনি। দুই ভাই সোহেল ও আরবাজ শোবিজ অঙ্গনের সঙ্গেই সম্পৃক্ত। তাদের কাজেও সালমানের বিনিয়োগ ছিল নিয়মিত।

ঐশ্বরিয়ার এইসব ভালো লাগত না, তাই সালমানকে পরিবার ছাড়তে বলেছিলেন। প্রেমিকার জন্য সব কিছু করতে রাজি থাকলেও পরিবার ছাড়তে পারেননি সালমান। এজন্যই সম্পর্কে ফাটল ধরে।

অবশ্য সম্পর্ক ভাঙার পরপর ঐশ্বরিয়া অভিযোগ করেছিলেন, মাদকাসক্ত অবস্থায় তাকে মারধর করত সালমান। এখন মনে হচ্ছে, ব্যাপারটাতে অন্য কারণও ছিল।

সময়ের আলো