ঝিকরগাছা ও মণিরামপুরের কপোতাক্ষ নদ থেকে বালু উত্তোলন

ঝিকরগাছা ও মণিরামপুরের কপোতাক্ষ নদ থেকে বালু উত্তোলন । টাইম ভিশন ২৪

 কৃষি জমি বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে কৃষকেরা

আফজাল হোসেন চাঁদ : মহাকবি মাইকেল মধুসুদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ শিরোনামের কবিতার সেই কবির প্রিয় কপোতাক্ষ নদের বহমান ঝিকরগাছা ও মণিরামপুর থানার মাঝামাঝি স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে গ্রামের প্রভাবশালী মহল। যার করাণে দু’থানার অন্তগত বহু কৃষি জমি বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে দু’এলাকার কৃষকেরা।
ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসার ইউনিয়নের বেজিয়াতলা (মহিনীকাটি) ও মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের মহাতাবনগরের ব্রিজ সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদ থেকে স্যালো মেশিনের মাধ্যমে বালি তুলে তা জমা করছে এলাকার মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের মহাতাবনগর গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে আব্দুল মান্নান ও তার ভাই আপন ছোট ভাই আব্দুল এবং তাদের ব্যবসায়ী দুই পাটনার মতিয়ার রহমান মতু, গোলাম আলী। তারা উভয়ে স্যালো মেশিনে পাইপের মাধ্যমে কপোতাক্ষ নদের নিচ থেকে বালি এনে জমা করা হয়েছে বিক্রয়ের জন্য। যার ফলে এলাকার অনেক কৃষকের প্রায় ৯০-১০০ বিঘা ধানী জমির ফসল ও কপোতাক্ষ নদের পার নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয়দের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তারা জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে ক্ষমতার জোর দেখিয়ে আব্দুল মান্নান ও তার ভাই আপন ছোট ভাই আব্দুল এবং তাদের ব্যবসায়ী পাটনার মতিয়ার রহমান মতু, গোলাম আলী অবৈধ্য ভাবে কপোতাক্ষ নদের নিচ থেকে বালি উত্তলণ করে বালির ব্যবসায় পরিচালনা করছেন। এসব বালি ইমারতের ভীতের কাজে ব্যবহৃত হয়। এর ক্রেতা সাধারণ মানুষ এমনকী ঠিকাদাররাও।
কপোতাক্ষ নদের পাশের অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায়, কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধ্য ভাবে বালু উত্তলনের বিষয়ে তাদের কৃষি জমি নষ্ট হওয়ার কথা উল্লেখ করলেন কৃষকদের প্রতি বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি, মানহানী, এমনকি মারধরও করেন বলেন সংবাদকমীদের জানান এলাকার কৃষকেরা।
বালি উত্তলনকারী আব্দুল মান্নানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গত ২-৩ বছর যাবত আমার জমিতে পানি দেওয়ার জন্য পুকুরের পানি ছিলো না। যার জন্য আমি ডিসি অফিসে যোগাযোগ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডে দরখাস্ত করার পরে ঝিকরগাছা ও মনিরামপুরের সার্ভেয়াররা এসে দেখে তারা মাপযোগ করে আমাকে নদী হতে পানি নিয়ে জমির চাষ করতে বলেন। কিন্তু বালি উত্তলনের বিষয়ে তিনি অস্বিকার করেন।