যশোরে মালয়েশিয়া প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীকে ঘরছাড়া করার পায়তারা

গৃহ বধু শিখা বেগমের প্রতীকি ছবি । টাইম ভিশন ২৪

মোল্লা ওবায়দুর রহমান :  যশোরে ভাশুরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে প্রবাসী স্ত্রী শিখা বেগম। স্বামীর টাকা ও জায়গা সম্পত্তি ভাশুরদের তদারকি করতে না দিয়ে শিখা বেগম নিজে করায় তার উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে ভাশুরসহ তার লোকজন এই অত্যাচার শুরু করেছেন। শিখা বেগম যশোর সদর উপজেলার পতেঙ্গালী গ্রামের প্রবাসী শহিদুল ইসলামের স্ত্রী। শিখা বেগম অভিযোগ করে বলেন,‘ তাঁর স্বামী ২০১২সালে মালেশিয়া অর্থ উপার্জনের জন্য যান। সেখান থেকে যে অর্থ দেশে পাঠাতেন। সেই অর্থ স্বামীর বড় ভাই ইমামুল, ভাইপো এনামুল ভাগ করে নিতো। দেশে ফিরে তার স্বামী তাদের কাছে পাঠানো কোন টাকা পাননি। পরে তিনি আমাকে বিবাহ করেন। বিবাহর তিন বছর পরে টাকা পয়সা মেনেজ করে পূণরায় স্বামীকে বিদেশে পাঠায়। এর পরে গেলো ৬বছর স্বামী বিদেশ থেকে যে টাকা পাঠিয়েছেন তা দিয়ে গ্রামের মেইন রাস্তার পাশে স্বামীর ভাগের জমিতে বাড়ি ও দোকান ঘর নিমার্ণ করে বসবার করছি। এতে তার ভাশুরসহ অন্য স্বজনরা তদারকি করতে যায়। তখন বাধা দেওয়ার কারনে তার ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সুত ধরে ক্ষতিকার চেষ্ঠা করে। সর্বশেষ গত ১৩এপ্রিল ইমামুল, রশিদ,নজমুলসহ ৭/৮জন স্বজন ভোগদখলীয় জমিতে থাকা গাছ কাটতে যায়। এ সময় প্রতিবাদ করলে তার সন্তাসীদের দিয়ে আমাকে লাঞ্চিত করার চেষ্ঠা করে তখন মার্কেটের থাকা ডা. বাবু এগিয়ে আসলে তাঁরা ডা. বাবুকে মারপিট করে এবং আমাকে ও আমার ছোট ছেলেকে জীবননাশের হুমকি প্রদান করেন। তারা আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করতে পারে সন্দেহ হওয়ার কারনে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ জিডি করি যার নং-৭২৫। জিডির বিষয় জানতে পেরে আমার ভাশুর ও ভাইপোরা জিডি তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদানসহ আমার বাড়ির নিচেতলার মার্ক্টের দোকান দারদের উচ্ছেদের পাইতারা করে। এমত অবস্থায় তিনি পরিবার নিয়ে হুমকির মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে পতেঙ্গালী বাজার কমিটির সভাপতি আসমত আলী খন্দকার ও স্থানীয় শিক্ষক আনছার আলি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে মিমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এনামুল রশিদ মিলে ভাড়া করা সন্তাসী বাপ্পিকে দিয়ে আমাদের হুমকি প্রদান করেছে। ফলে বিষয়টি মিমাংশা হয়নি।