নিজের ভালোটা সবাই বলে এবং আড়াল করে খারাপটা তাহলে একই মনোভাব কেন থাকবে না : তামিম

নিজের ভালোটা সবাই বলে এবং আড়াল করে খারাপটা। তাহলে একই মনোভাব কেন থাকবে না দেশের ক্ষেত্রে? আসুন ইতিবাচক থাকি এবং লিখি দেশের ভালো দিকগুলো। সাধারণ মানুষের প্রতি এমনই আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং স্তম্ভ তামিম ইকবাল।
শনিবার দেশের একটি অনলাইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের শুরুতেই এমন একটি প্রশ্ন তোলেন টাইগার ওপেনার, ‘আমি-আপনি তো নিজের খারাপ জিনিস ফেসবুকে লিখি না, দেশেরটা কেন লিখব?’ এরপরই করোনাভাইরাস মহামারীর চলমান এই দুঃসময়ে দেশের নেতিবাচক দিকগুলোকে নিজেদের মধ্যে রেখে ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানালেন ওয়ানডে অধিনায়ক।
তামিম বলেন, ‘আমরা যতটা নেতিবাচকতা ছড়াই নিজেদের ব্যাপারে, এরকম কিন্তু পৃথিবীতে খুব কম মানুষই ছড়ায়। কিন্তু যখন থেকে আমরা দেশকে ভালোবাসতে শুরু করব… মুখের ভালোবাসা নয়, মন থেকে ভালোবাসা… বাংলাদেশকে নিয়ে যখন কেউ খারাপ কথা বলবে, আপনি লড়াই করবেন সেটা নিয়ে। দেশের হাজার খারাপ জিনিস থাকতে পারে, কিন্তু নিজের দেশ নিয়ে যুদ্ধ করতে হবে।’
টাইগার ক্রিকেটার আরও যোগ করেন, ‘আমাদের দেশে যে ভালো জিনিসগুলো আছে, সেসব কেন পৃথিবীর কাছে তুলে ধরব না? আমরা যেভাবে নিজেদের খাবার ভাগাভাগি করি, নিজেদের জমানো টাকায় অপরের উপকার করি, বাংলাদেশে যে লেভেলে এসব হয়, অন্য খুব বেশি দেশে দেখতে পারবেন না। খারাপ-ভালো পৃথিবীর সব দেশেই আছে। এই মুহূর্তে ভালো জিনিসগুলোই তুলে ধরা জরুরি।’
তামিম ইতোমধ্যে নেমেছেন মানবসেবায়। তার আর্থিক সহায়তার তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে ৯১ অসহায় ক্রীড়াবিদ আর কোচ। এর বাইরে নারায়ণগঞ্জে ক্রিকেটার নাজমুল ইসলাম অপুর খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমে তামিম সহায়তা করেছেন কয়েক দফায়। ‘একজন বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠা নাফিসা খানের মাধ্যমে সহায়তা করেছেন অনেক পরিবারকে।
যদিও তামিম নিজের এমন মহৎ উদ্যোগকে দেখছেন না খুব বড় করে, ‘এটার জন্য আসলে কৃতিত্ব দাবি করার কিছু নেই। আমি মনে করি, আমার দায়িত্বই এটি। আজকে আমি যা হয়েছি বা যে অবস্থানে আছি, তা এই দেশের কারণেই। দেশের মানুষের কারণে। আমার জায়গা থেকে এখন একটু সহায়তা করতে পারলেও কিছুটা দায়িত্ব পালন করা হবে।’