করোনার মধ্যে রয়েছে আরও দু’টি ভয়ঙ্কর জীবাণু!

গোটা বিশ্ব এখন কাঁপছে করোনাভাইরাস আতঙ্কে। ভাইরাসটি ইতোমধ্যে ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে বিভিন্ন দেশে। এর মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র আমেরিকার। দেশটিতে এখন পর্যন্ত (মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮) আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৯২ হাজার ৭৫৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪২ হাজার ৫১৪ জনের।

এছাড়াও এই ভাইরাসের তাণ্ডবে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্সও। এখন পর্যন্ত ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ২৪ হাজার ১১৪ জনের, স্পেনে ২০ হাজার ৮৫২ ও ফ্রান্সে মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ২৬৫ জনের। এছাড়া যুক্তরাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৫০৯ জনের।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাস নিয়ে বিশ্বব্যাপী চলছে নানা গবেষণা। এরই মধ্যেই এই ভাইরাসের ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে মন্তব্য করলেন নোবেলজয়ী ফরাসি বিজ্ঞানী লুক মন্তাজিনিয়ের।

এক ফরাসি সংবাদমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, করোনাভাইরাসের মধ্যে এইচআইভি তথা এইডস’র পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার জীবাণুও রয়েছে। কোভিড-১৯-এর যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে, এটি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হতে পারে না।

তার দাবি, করোনাভাইরাস মানুষের তৈরি এবং উহানের গবেষণাগারেই তৈরি হয়েছে এই জীবাণু। এইডসের টিকা আবিষ্কার করতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

তিনি আরও জানান, উহান ন্যাশনাল বায়োসেফটি ল্যাবেরটরিতে প্রায় দু’দশক ধরে করোনাভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছে। সম্ভবত, সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত এই ভাইরাসটি বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে।

২০০৮ সালে এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন লুক মন্তাজিনিয়ের। ফলে তার অভিযোগ ফাঁকা বুলি বা ভিত্তিহীন জল্পনা নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, নানা মহলের দাবি, রহস্যেময় এই ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে তা ছড়িয়ে পড়েছে উহান প্রদেশের গোপন গবেষণাগার থেকেই। কোনও কোনও মহল থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, নাশকতা বা অন্তর্ঘাত করেই চীনের কোনও বিজ্ঞানী বা গুপ্তচর এই ভাইরাস ছড়িয়েছেন।

ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের একটি প্রতিবেদনে স্পষ্ট জানিয়েছিল, এই আরএনএ ভাইরাসকে চীন তৈরি করেছে মারণাস্ত্র হিসেবেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে হাজার হাজার মানুষকে কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলা সম্ভব। উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বিএসএল-৪ ল্যাবরেটরিতে অতি গোপনে এই জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল অনেকদিন ধরেই। সূত্র: গালফ টুডে

পিএনএস