চুয়াডাঙ্গায় আইসোলেশনে করোনা আক্রান্ত শিক্ষকসহ তিনজনের মৃত্যু।

নিজস্ব প্রতিবেদক:চুয়াডাঙ্গায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক শিক্ষকসহ আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তদের প্রত্যেকের বয়স ৭০ বছর। আজ শনিবার (১৯ জুন) সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়।

বিকেল ছয়টায় সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নিহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জ্বিনতলা মল্লিকপাড়ার মৃত আনিসুর রহমানের স্ত্রী সালেহা বেগম , জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামের মৃত এলাহী মণ্ডলের ছেলে শুকুর আলী ও দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে শিক্ষক হাজী আক্কাস আলী। এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়িঁয়েছে ৮০ জনে।

সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিট সূত্রে জানা যায়, করোনা উপসর্গ জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিতসহ সমস্যা নিয়ে গত ১২ জুন ইয়োলো জোনে ভর্তি হন সালেহা বেগম। করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁর শরীর থেকে সংগৃহিত নমুনায় ১৬ জুন করোনা শনাক্ত হয়। ওইদিনই তাঁকে ইয়োলো জোন থেকে রেড জোন আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আাজ শনিবার দুপুর সোয়া ১ টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
গত ১৩ জুন শুকুর আলী করোনা উপসর্গ জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিতসহ সমস্যা নিয়ে ইয়োলো জোনে ভর্তি হন। ১৪ জুন তাঁর নমুনায় করোনা শনাক্ত হলে তাঁকেও ইয়োলো জোন থেকে রেড জোন আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুর পৌনে একটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, আজ বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে সদর হাসপাতালের রেড জোন আইসোলেশন ওয়ার্ডে মৃত্যু হয় শিক্ষক হাজী আক্কাস আলীর। গত ১৩ জুন তাঁর নমুনায় করোনা শনাক্ত হলে পরদিন তাঁকে হাসপাতালের রেড জোনে ভর্তি করে পরিবারের সদস্যরা।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম বলেন, ‘সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের রেড জোন বা আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর করোনা প্রটোকলে নিহতদের লাশ পরিবারের সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বাস্থবিধি মেনে করোনা প্রটোকলে নিহতদের লাশের দাফন কার্য সম্পন্ন করা হবে।