না ফোঁটা কলির গল্প কাঞ্চন চক্রবর্তী -পর্ব ১১

পর্ব (১১)
না ফোঁটা কলির গল্প
কাঞ্চন চক্রবর্তী

কাছে পেয়ে ভাঙ্গে তখন দেখতে পায় সেটা খাবারের অযোগ্য বা ব্যবহারের অন উপযোগি, জীবনে যদি কেহ জীবন গড়তে ভুল সিদ্ধান্ত্য নিয়ে ফেলে তাহলে অনেক সময়ে তার জীবন দিয়ে সেই ভুলের মাশুল গুনতে হয় আর এটাই বাস্তবতা,তনুর এমনই হতে চলেছে কারণ, এক ঘন্টার পরিচয়ে সে জীবনে কঠিন সিদ্ধান্ত্যটা সে নিয়ে ফেললো,পাঠক পড়তে থাকুন শেষ পরিনামটা কি হয়। তনু বাড়িতে ফিরে ভাবতে থাকে এখন যদি বারাকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলি তাহলে হয়তো কিছুদিন রাগারাগি করবে তারপর তাকে মেনে নেবে কিন্তু বাবাকে না জানিয়ে কাজ টা করা কি ঠিক হবে?বিয়ে করে ফেললে ডাক্তারী পড়ার কি হবে? এমন সুদর্শন,শিক্ষিত কোটি পতি ছেলে, তাছাড়া ডাক্তারী তাকে পড়তেই হবে বা ডাক্তারী করে সংসার চালাতে হবে এমন তো নয়! কারণ বাবার টাকা পয়সা কি কিছু কম আছে? তাছাড়া আমি বাবার একমাত্র মেয়ে সম্পতি কেবা ভোগ করবে? অতএব আমার মন যা চায় আমি তাই করবো এবং যাকে আমার পছন্দ হয় তাকেই আমি বিয়ে করবো কারণ,জীবন আমার তাই পছন্দটা আমার হওয়া বাঞ্ছনিয়,বাবা তো তাকে নিয়ে বসবাস করবেনা, বসবাস যখন আমি করবো তখন সিদ্ধন্ত্যটা আমার হওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি, রাত এখন প্রায় একটার বেশি হবে, তনুর বাড়ির সবাই যেমন,বাবা কাজের লোকেরা সবাই খাওয়া দাওয়া সেরে যার-যার মত নিজ-নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে অচেতন, তনুর দু’চেখে ঘুমের কোন চিন্হ নেই কারণ এপাশ ওপাশ করছে,কারণ তার বাবা কখন

না ফোঁটা কলির গল্প পর্ব (১২)
ঘুমিয়ে যাবে,বাবা অনেক পূর্বেই ঘুমিয়ে গেছে, তবু নিশ্চিত হবার জন্য তার বাবাকে কয়েক বার ডাকাডাকি করলো,কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে সে নিশ্চিত হল যে বাবা ঘুমিয়ে গেছে, এমন সুযোগটির অপেক্ষা তনু করছিল, আস্তে-আস্তে বাবার রূমে প্রবেশ করে ড্রয়ার থেকে আলমারীর চাবী নিয়ে আলমারী খুলে তনুর মায়ের ও দাদীর গহনা এবং নিজের গহনা বের করলো, সাথে এককোটি টাকা নিয়ে একটা ব্রিফকেচের ভিতর ডুকিয়ে রাখলো আর নিজের পোশাক যা-যা নেবার প্রয়োজন সে মনে করলো সবটা গুছিয়ে নিয়ে চাবীটা আগের জায়গায় রেখে দিয়ে বেরিয়ে এল বাবার রূম থেকে,এবং সে গুলিকে নিজের হেবাযতে রেখে নিজের বিছানায় গিয়ে শরীরটা এলিয়ে দিল।সকাল দশটা বেজে গেছে, তনুর এখন ও ঘুম ভাঙেনি হঠাৎ ফোনে একটা ঘন্টা ধ্বনি বেজে উঠলো, তনু পাশমোড়া দিয়ে ওঠে দেখতে পেল তাকিকের ফোন, সে নরম কণ্ঠে বললো “আপনি কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন বাবা অফিসে বেরিয়ে গেলেই আমি বেরিয়ে পড়বো” “আচ্ছা আমি নিচে মাইক্রো নিয়ে অপেক্ষা করছি তুমি চলে এসো ওকে বাই” বলেই ফোনটির সংযোগ বিছিন্ন করলো তনু,তনু বিছানা ত্যাগ করে দ্রুত ফ্রেস হয়ে নাস্তার টেবিলে গিয়ে
নাস্তা শেষ করে কাজের বুয়াকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলো “বাবা কোথায়?” জবাবে বুয়া বললো “সাহেব এইমাত্র অফিসে চলে গেছে” “ও তুমি যাও” “জী আপা” বোয়া চলে গেল তনু ফোনে তাকিরকে জানিয়ে দিল যে সে কিছক্ষণের মধ্যে আসছি,তনু বাড়ির সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ব্রিফকেসটি

চলবে- – – –