যশোরে স্কুল পড়ুয়া কিশোরী উত্ত্যক্ত ও অপহরন মামলায় কোচিং সেন্টারের শিক্ষক সহ দু্ইজনের বিরুদ্ধে চার্জশীট

যশোর অফিস : যশোর সদর উপজেলার রামনগর দক্ষিণ পাড়ার স্কুল পড়ুয়া কিশোরী তন্নী খাতুন (১৩)কে অপহরনের অভিযোগে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক লালন হোসেনসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দিয়েছে পুলিশ। যশোর কোতয়ালি মডেল থানার এসআই মাইনুল আহসান যশোর আমলী আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। আসামীরা হচ্ছে, যশোর সদর উপজেলার রামনগর পুকুরকূল সরদার পাড়ার বর্তমানে রাজারহাট পটুয়াপাড়া নাফিশাহ জামে মসজিদের সামনে রাজ্জাক খন্দকারের ছেলে মোঃ লালন হোসেন, রামনগর পুকুরকূল সরদার পাড়ার সাখাওয়াত ওরফে সাকা হাওলাদারের ছেলে আসাদ হোসেন ও তার সহোদও আহাদ আলী।
মামলা বিবারনে জানাগেছে, সদর উপজেলার রামনগর দক্ষিণপাড়ার মৃত আব্দুল জলিল মোল্যার ছেলে ডাবলু মোল্যা বাদী হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন,তার মেয়ে তন্নী খাতুন রামনগর নামেজ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। সে রামনগর স্কুল এন্ড ইউনিটি লার্নিং পয়েন্টস কোচিং সেন্টারের শিক্ষক লালন হোসেন উত্যক্তসহ স্ত্রী থাকা সত্বেও বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায় তন্নী খাতুনকে ফুললিয়ে বিয়ে করার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। গত বছর ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় তন্নী খাতুনকে লালন হোসেন হাত ধরে টানাটানি করলে স্থানীয় লোকজন তন্নী খাতুনের পরিবার প্রতিবাদ জানায়। ওই দিন সন্ধ্যা ৬ টায় তন্নী খাতুন পাশ্ববর্তী চাচা আব্দুল মজিদ মোল্যার বাড়িতে যাওয়ার সময় উক্ত আসামীসহ সহযোগীরা মাইক্রোবাস যোগে তন্নী খাতুনকে অপহরণ করে কানাইতলার দিকে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ডাবলু মোল্যা বাদি হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তর দায়িত্ব পান কোতয়ালি মডেল থানার মাইনুল আহসান কবির। তিনি তদন্ত করে অপরাধ প্রমানিত পাওয়ায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।